kalerkantho

বুধবার । ২০ শ্রাবণ ১৪২৮। ৪ আগস্ট ২০২১। ২৪ জিলহজ ১৪৪২

২০ জুন ভিডিও কনফারেন্সে হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাঙ্গুনিয়ার ১০০ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মুজিববর্ষের ঘর উপহার

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১২ জুন, ২০২১ ১৮:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাঙ্গুনিয়ার ১০০ গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে মুজিববর্ষের ঘর উপহার

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১০০ গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মাঝে মুজিববর্ষের উপহার পাকাঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত এসব ঘর হস্তান্তর করবেন তিনি। আগামী ২০ জুন রবিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্মিত ১০০টি পাকাঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী।

রাঙ্গুনিয়া প্রান্তে বেতাগী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বহলপুর গ্রামে নির্মিত ৩০টি পাকাঘর স্থানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ উপকারভোগীরা যুক্ত হবেন।

আজ শনিবার এসব ঘর নির্মাণ কার্যক্রম এবং প্রস্তুতি দেখতে বেতাগী ইউনিয়নের বহলপুর  গ্রাম পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান। এ সময় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক এস এম জাকারিয়া, খন্দকার জামসেদ হোসেন, মাসুদ করিম, উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম, ইউপি চেয়ারম্যান নুর কুতুবুল আলমসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ওই এলাকার মৃত কুশা দাশের স্ত্রী উপকারভোগী মিনু দাশ, মো. নাছের খানসহ কয়েকজন উপকারভোগীর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না। সেজন্য এসব পাকাঘর নির্মাণ করে উপকারভোগীদের দলিল করে দেওয়া হচ্ছে। সারাবিশ্বের কোথাও এ ধরনের উদ্যোগ কেউ নেননি। প্রধানমন্ত্রী গত ২৩ জানুয়ারি ৭০ হাজার পরিবারে ঘর হস্তান্তর করেছেন। এটি সারাবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পে যারা বসবাস করবে তারা শুধু এখানে সময় কাটাবে সেটা নয়, তাদের আয় ও জীবিকায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা যাতে আয়বর্ধক কাজে সম্পৃক্ত হতে পারে এজন্য সরকারের মৎস্য-কৃষি-প্রাণিসম্পদসহ সব বিভাগকে এগিয়ে আসতে হবে। যে ব্যক্তি যে কাজটি করতে চান তাকে সেকাজটি করার জন্য প্রশিক্ষণ ও উপকরণের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই তারা উপকৃত হবে।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান জানান, 'মুজিববর্ষে কেউ গৃহ ও ভূমিহীন থাকবে না' প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ঘোষণা বাস্তবায়নে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ার ভূমি ও গৃহহীন ৬০৬টি পরিবারের তালিকা করা হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে ২ শতাংশ জমির সঙ্গে ঘর পেয়েছেন ৬৫ পরিবার। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০০টি পরিবারকে জমির সঙ্গে ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা, বেতাগী ইউনিয়ন, রাজানগর, কোদালা, শিলক, সরফভাটা, পোমরা ইউনিয়নে ঘর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। দুই কক্ষবিশিষ্ট এসব ঘরে রান্নাঘর ও টয়লেট সংযুক্ত রয়েছে। দেওয়া হয়েছে টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ সংযোগ।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান জানান, প্রথম পর্যায়ে প্রতিটি ঘরের জন্য পরিবহন খরচসহ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ধরা হয়েছিল। এবার তা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা