kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের ঋণ পেতেও লাগে ঘুষ!

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৮ জুন, ২০২১ ১৬:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের ঋণ পেতেও লাগে ঘুষ!

প্রধানমন্ত্রীর 'আমার বাড়ি আমার খামার' প্রকল্পের ঋণের টাকায় ভাগ বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার প্রকল্পের মাঠকর্মী আল-আমীনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছে ঋণ গ্রহীতারা। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেছে সমিতির বেশ কয়েকজন সদস্য।

অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের মগটুলা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম (৫০)। তিনি রাজারামপুর গ্রাম উন্নয়ন সমিতির একজন সদস্য। তার স্ত্রী রেখা আক্তারও সমিতির সদস্য। 

রফিকুল ইসলাম জানান, গত ১৩ এপ্রিল পল্লি সঞ্চয় ব্যাংক থেকে তার নামে ৩০ হাজার টাকার ঋণ অনুমোদন করা হয়। কিন্তু প্রকল্পের মাঠ সহকারী মো. আল আমীন তাকে ২৬ হাজার টাকা দেন। বাকী টাকা সম্পর্কে জানতে চাইলে মাঠ সহকারী তাকে অফিস খরচের টাকা কেটে রাখার কথা বলেন। এ ছাড়াও ঋণ উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত বিনামূল্যের ফরম বাবদ তার কাছ থেকে ৪০০ টাকা রাখা হয়েছে।

রফিকুল আরো অভিযোগ করে বলেন, ঘুষ দিতে না পারলে দিনের পর দিন সমিতির সদস্যদের কার্যালয়ে গিয়ে ঘুরতে হয়। 

একই সমিতির সদস্য রেখা আক্তার বলেন, তাকে ঋণ বাবদ ২৫ হাজার টাকার স্থলে ২৩ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। 

নাসিমা খাতুন নামে এক গৃহবধূ জানান, তার স্বামী দুলাল মিয়াকে ২৫ হাজার টাকার স্থলে ২৩ টাকা দেওয়া হয়েছে। 

জানা যায়, ওই মাঠকর্মীর অধীনে প্রায় ১৪০০ সদস্য রয়েছেন। ঋণ দেওয়ার সময় প্রায় সকলের কাছ থেকেই টাকা কেটে রাখা হয়।

অভিযুক্ত আল-আমীন বলেন, 'রফিকুলের অভিযোগের পর হেড অফিসের নির্দেশে আমি তার বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাকে পাইনি। তিনি বাড়িতে থেকেও দেখা দেননি। এতে আমার কি করার আছে।



সাতদিনের সেরা