kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

রাত হলেই লোকালয়ে হানা, হাতির ভয়ে উড়ে যায় ঘুম!

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৭ জুন, ২০২১ ১৬:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাত হলেই লোকালয়ে হানা, হাতির ভয়ে উড়ে যায় ঘুম!

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের একটি বন্য হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে আক্রমণ করে তিনটি ঘর, গাইড ওয়াল ভাঙচুর ও ধান নষ্ট করেছে বলে জানিয়েছন ক্ষতিগ্রস্তরা। রবিবার (৬ জুন) দিবাগত রাতে ৮নং ওয়ার্ডের মহিবুল্লাহ খান বাড়ির মৃত কবির আহমদের পুত্র আনোয়ার হোসেন, মৃত মকবুল আহমদের পুত্র মীর হোসেনের বসতঘর ও প্রায় ১৫ হাজার টাকার ধান নষ্ট করে এবং আতুর আলী চৌকিদারের বাড়ির সাবেক মেম্বার আবদুর ছবুরে ঘর ও বাড়ির গাইড ওয়াল ভাঙচুর করে।

স্থানীয় বাসিন্দা এয়াকুব আলী বদু জানান, রাতে ভাঙচুরের শব্দ কানে আসে। দরজা খুলে বাইরে বিশালাকারের একটি হাতিকে পাশের বাড়িগুলো ভাঙতে ও ঘরে ভেতরে থাকা ধানের বস্তা সুর দিয়ে টেনে বাইরে বের করতে দেখেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।

বড়উঠান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক (ইউপি) সদস্য মোহাম্মদ মুছা জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে বন্য হাতির দল কর্ণফুলীর দেয়াঙ পাহাড়ে আসে। প্রতিদিন রাতে একজোট হয়ে হাতি দল আক্রমণ করে। তিনি আরো জানান, রাতের আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টাও করে স্থানীয়রা। কিন্তু বন্য হাতির তাণ্ডব নতুন নয়। প্রায় সময় গ্রামে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। খাবারের খোঁজে পাহাড় থেকে লোকালয়ে আসে হাতিগুলো। হাতির ভয়ে এখন রাতের ঘুম উড়ে গেছে আমাদের। 

পটিয়া রেঞ্জের বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, পাহাড়ি অঞ্চলে খাদ্যের অভাবে বন্য হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। ঘর ভাঙচুরের ব্যাপারে আমি শুনেছি। ক্ষতিগ্রস্তরা আমাদের কাছে আবেদন করলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্ণফুলী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা সুলতানা বলেন, দেয়াঙ পাহাড়ে অবস্থান নেওয়া হাতিগুলোর বিষয়ে বনবিভাগ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গত রবিবারের তাণ্ডবের ঘটনাও জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



সাতদিনের সেরা