kalerkantho

শনিবার । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩১ জুলাই ২০২১। ২০ জিলহজ ১৪৪২

খাসজমিসহ রাস্তা দখল, গোবর ফেলে চলাচলে বাধা

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি    

৬ জুন, ২০২১ ১১:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাসজমিসহ রাস্তা দখল, গোবর ফেলে চলাচলে বাধা

কাগজে-কলমে চলাচলের রাস্তাসহ পাশের জমি খাস খতিয়ানে গেছে। এলাকার প্রায় এক শটি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পায়ে হাঁটার ওই রাস্তা ব্যবহার করে আসছেন। সম্প্রতি রাস্তাটির উত্তর পাশে বেড়া দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। আর দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তা থেকে ওই রাস্তার প্রবেশপথে গোবর ফেলে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মজিবর রহমানের পুত্র আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে ইসাহাক উদ্দিন। বন্ধ ওই রাস্তাটির অবস্থান সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ি গ্রামের দক্ষিণপাড়ায়।

গতকাল শনিবার (৫ জুন) সরেজমিনে ওই রাস্তায় গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। স্থলবাড়ি পাকা রাস্তা থেকে চালিতাডাঙ্গাগামী পাকা রাস্তার পাশের এই রাস্তায় ঢোকার মুখে গরুর গোবর ঢেলে রাখা হয়েছে ও গাছ লাগানো হয়েছে। এর ফলে কোনো রকমে হেঁটে বের হওয়া গেলেও সাইকেল, রিকশাভ্যান নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে ভ্যানে করে ফসলাদি বাড়ি নিতে পারছে না প্রায় তিন শ মানুষ। 

হাজী মন্টু সরকার জানান, জন্মের পর থেকে জেনে আসছি, এই রাস্তাটি খাসজমির ওপর দিয়ে গেছে। আমরা একসময় গরুর গাড়ি নিয়ে এই রাস্তা ব্যবহার করে  ফসলাদি বাড়ি আনতাম। কিন্তু দুই বছর আগে রাস্তা ঘেঁষে আব্দুস সাত্তাররা গাছ লাগায়। তখন ওই রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সম্প্রতি ওই রাস্তা সম্পূর্ণ নিজেদের দাবি করে বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। পরে স্থানীয় লোকজনের কথায় বেড়া সামান্য সরালেও রাস্তায় ঢোকার মুখে গোবরের ঢিবি এখনো রয়েছে।
 
স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও পারা যায়নি। ইউএনও স্যার  আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবকে মীমাংসার জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তিনি বাড়িতে থাকেন না। তা ছাড়া তার মুঠোফোনে বারবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

সোনামুখী ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী খান নিজেও দুই পক্ষকে নিয়ে এখনো বসেননি। তিনি জানান, সময় পাচ্ছি না। তবে শিগগিরই একটা সমাধান করা হবে।
 
কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবকে মীমাংসা করতে বলেছি।  না হলে সরেজমিন গিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা