kalerkantho

মঙ্গলবার । ৮ আষাঢ় ১৪২৮। ২২ জুন ২০২১। ১০ জিলকদ ১৪৪২

খুলনায় এক উপজেলা ও তিন থানায় কঠোর বিধি-নিষেধের সিদ্ধান্ত

খুলনা অফিস   

২ জুন, ২০২১ ১৮:১১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



খুলনায় এক উপজেলা ও তিন থানায় কঠোর বিধি-নিষেধের সিদ্ধান্ত

করোনা সংক্রমণ বিবেচনায় খুলনার একটি উপজেলা ও নগরীর তিনটি থানায় কঠোর বিধি-নিষেধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী শুক্রবার (৪ জুন) থেকে এসব এলাকায় জরুরি সেবা ছাড়া সকল দোকান, কাঁচাবাজার এবং জনসমাবেশ স্থান এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে। স্থানগুলো হলো জেলার রূপসা উপজেলা, মহানগরীর সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানা।

আজ বুধবার সকালে করোনাভাইরাস প্রতিরোধসংক্রান্ত জেলা কমিটির মতবিনিময়সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে তার সম্মেলনকক্ষে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন এবং খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেন অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে করোনা সংক্রমণের আধিক্য বিবেচনায় রূপসা উপজেলা, খুলনা সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানায় জরুরি সেবা ব্যতীত সকল দোকান, কাঁচাবাজার এবং জনসমাবেশের স্থান শুক্রবার (৪ জুন) থেকে আগামী এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে। রূপসা উপজেলাসহ খুলনা মহানগরীতে সন্ধ্যার পর দোকানপাট বন্ধ রাখা, হোটেলগুলোতে লোকসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং যত্রতত্র একাধিক লোকের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় ব্যবস্থা নেবে। এ সময় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়, স্বাস্থ্যবিধি পালনে মনিটরিং জোরদার করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতে প্রচার-প্রচারণা চলমান থাকবে।

সভায় সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, সার্বিকভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণে খুলনার স্বাস্থ্যবিভাগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সন্ধ্যার পর একাধিক লোকের জনসমাগম বন্ধ করতে হবে। তিনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং সর্বক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে মসজিদের ইমামদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

রূপসা উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার শতকরা ৪ দশমিক ১৮। কিন্তু অন্যান্য উপজেলাতে এই হার শতকরা প্রায় এক ভাগ। এ ছাড়া খুলনা মহানগরীর সদরে সংক্রমণ হার শতকরা ৩৫, খালিশপুরে ২৫ ও সোনাডাঙ্গাতে এই হার শতকরা ১৭। 

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. রবিউল হাসান, মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইউসুপ আলী প্রমুখ। 



সাতদিনের সেরা