kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্ব; চেয়ারম্যানের ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা!

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২ জুন, ২০২১ ১৮:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোর গ্যাংয়ের দ্বন্দ্ব; চেয়ারম্যানের ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা!

মহিউদ্দিন প্রবাল

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধের জের ধরে মহিউদ্দিন প্রবাল (১৭) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের ছেলেকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত প্রবাল নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ভৈরব দূর্জয়মোড় এলাকার একটি দোকান থেকে নিহতের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেন সিআইডি পুলিশের একটি টিম।

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রবালের সঙ্গে ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকার জিল্লুর রহমানের ছেলে অন্তর মিয়া ও তার গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষের প্রায় দুই ঘণ্টা পর খবর পেয়ে ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত অন্তর মিয়ার বাবা জিল্লুর রহমানের মালিকানাধীন শাকিল মটরসে প্রবালের রক্তাক্ত লাশ শনাক্ত করে পুলিশ ও নিহতের পরিবার। পরে সিআইডির ক্রাইমসিন টিমকে খবর দিলে রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার ও প্রাথমিক আলামত জব্দ করেন সিআইডি পুলিশ।

নিহতের বাবা হোসেন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা অন্তর প্রায়ই প্রবালের কাছে চাঁদা দাবি করতো এবং চাঁদা না দিলে বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। তিনি আরো বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় প্রবাল। এর ঘণ্টা দুয়েক পর থেকে প্রবালের মুঠোফোরনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। 

তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদার টাকা না পেয়ে তার ছেলে প্রবালকে খুন করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে গেছে অন্তর ও তার সহযোগীরা।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহিন কালের কণ্ঠকে বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং আলামত সংগ্রহের জন্য সিআইডির ক্রাইমসিনকে খবর দেয়। পরে ক্রাইমসিনের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করেছে। 

তিনি আরো জানান, কিশোর অপরাধপ্রবণতা থেকে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে এবং হত্যার পর বস্তায় করে লাশটি গুম করার চেষ্টা করা হয়েছিল যা প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।



সাতদিনের সেরা