kalerkantho

মঙ্গলবার । ১ আষাঢ় ১৪২৮। ১৫ জুন ২০২১। ৩ জিলকদ ১৪৪২

কক্ষে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ, পাশেই চিরকুট

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২ জুন, ২০২১ ১৭:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্ষে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ, পাশেই চিরকুট

বাবু কুমার শীল

বাঁশখালীর কালীপুর ইউনিয়নের রামদাস মুন্সির হাটে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার  সকাল ৯টায় বাবু কুমার শীল (২৫) নামের ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারার উত্তরপাড়া গ্রামের রনজিত শীলের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বাবু কুমার শীল প্রাণ কম্পানির সাব-ডিলার হিসেবে বিভিন্ন পণ্য বাঁশখালীর বেশ কয়েকটি হাটবাজারে সরবরাহ করতেন। রামদাস মুন্সির হাটে গরুর বাজারের সামনে আলী আহম্মদের মার্কেটে দুটি কক্ষকে গোডাউন ও থাকার বাসা বানিয়ে মালামাল রেখে ব্যবসা করতেন তিনি। সেখানে তার সঙ্গে মিঠুন সেনগুপ্ত নামের এক ব্যক্তিও ভাড়া থাকতেন। মিঠুন অন্য এক বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করতেন। তবে মঙ্গলবার রাতে মিঠুন ওইখানে ছিলেন না। চট্টগ্রাম শহর থেকে সকাল ৯টায় ওইখানে এসে কক্ষের রুম খুলে বাবুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। পরে হাটের ব্যবসায়ী ও পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। 

ঘটনাস্থল থেকে হাতে লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই চিরকুটে পারিবারিকভাবে আর্থিক সংকট ও ঝগড়াঝাঁটির কথা উল্লেখ রয়েছে। তার আত্মহত্যার জন্য কেউ দায়ী নয় বলেও লিখে গেছেন বাবু। তবে লেখাটি বাবুর হাতের কি না তা পুলিশ তদন্ত করছে।

বাবু কুমার শীলের বাবা রনজিত কুমার শীল বলেন, আমার ছেলে কিভাবে মরেছে তা জানি না। মৃত্যুর খবর পেয়ে চকরিয়া থেকে ছুটে এসে দেখি পুলিশের কাছে লাশ। লোকজন বলছে, রশিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। আমার ছেলে কেন আত্মহত্যা করবে?

রামদাস পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, বাবু কুমার শীলের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের কক্ষে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। তবে মৃত্যুর কারণ জানতে সুরতহাল রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। আরো তদন্ত চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা