kalerkantho

বুধবার । ২ আষাঢ় ১৪২৮। ১৬ জুন ২০২১। ৪ জিলকদ ১৪৪২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর

৩২ বছরেও চালু হয়নি তাঁত ফ্যাসিলিটিজ, নষ্ট হচ্ছে বহুমূল্যের যন্ত্রপাতি

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি    

২৯ মে, ২০২১ ১৫:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩২ বছরেও চালু হয়নি তাঁত ফ্যাসিলিটিজ, নষ্ট হচ্ছে বহুমূল্যের যন্ত্রপাতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নে তিতাস নদীর পূর্ব পাড়ে অবস্থিত তাঁত বোর্ড ফ্যাসিলিটিজ সেন্টারটি। আজ থেকে ৩২ বছর আগে ১৯৮৯ সালে ২৬২ শতক জমিতে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় সেন্টারটি। এটি নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিল বাঞ্ছারামপুরসহ আশপাশের উপজেলার তাঁতিদের জন্য রং, মাকু ও সুতার চাহিদা পূরণ করা এবং এলাকার বেকার জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। কিন্তু যাদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি নির্মাণ করা হয়েছিল সেই তাঁতিরা এখন পর্যন্ত এর কোনো সুফল পাননি। নির্মাণের ৩২ বছর পার হলেও শুরু হয়নি এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। বছরের পর বছর অযত্নে-অবহেলায় পড়ে থেকে মরিচা ধরেছে সেন্টারের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতিতে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত আবাসিক ডরমেটরিসহ ভবনগুলোর গায়ে শ্যাওলা পড়েছে। 

এলাকার তাঁতিদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে প্রায় ৩০ হাজার তাঁত ছিল। এতে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। কিন্তু কালের পরিবর্তনে তা আজ বিলুপ্তির পথে। ক্রমাগত লোকসান, পুঁজির অভাব, দফায় দফায় কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির কারণে থমকে গেছে উপজেলার তাঁতশিল্পীদের জীবনের স্বাভাবিক গতি। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ২৬২ শতক জমির ওপর নির্মিত বিশাল আকারের তাঁত বোর্ড ফ্যাসিলিটিজ সেন্টারটি দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁত বোর্ডের ঋণ কর্মকর্তা মো. আবদুল জলিল জানান, কয়েক বছর আগে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটি দেখতে এসেছিলেন। পরবর্তীতে আর কিছু হয়নি। ফ্যাসিলিটিজ সেন্টারের কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিত ছয়টি আবাসিক ভবন ও ১২টি ডরমেটরি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে ভেতরে থাকা লাখো টাকার যন্ত্রপাতি।



সাতদিনের সেরা