kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

পিরোজপুরের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০২১ ১৯:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পিরোজপুরের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পিরোজপুরের বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বুধবার মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া, ইন্দুরকানী, কাউখালীসহ প্রায় অধিকাংশ উপজেলার শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টির সাথে সাথে পানি বৃদ্ধি পেলে রাতে এবং বুধবার সকালে নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো তলিয়ে গেছে। তবে মঠবাড়িয়ার মাঝেরচড়, বড়মাছুয়া, সাপলেজা, ভান্ডারিয়ার তেলীখালী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে তৎপর প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে জেলায় ২৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তত করার কাজ চলছে। এছাড়া আরো ৩২২টি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তত রাখা হয়েছে। জেলায় মোট ৫৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্ততের কাজ চলছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি ও সাত উপজেলায় ৭টিসহ মোট ৮টি কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। জেলায় ৭ উপজেলায় ৬৮টি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মিলিয়ে প্রায় ১৫৫০ জন স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত শুকনো খাবারসহ সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণের কাজ করছে প্রশাসন।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোজাহারুল হক জানান, পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবেলায় ৫৫৭টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত রাখা হয়েছে এবং আরো ৪৪৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্ততের কাজ চলছে। করোনা মহামারী ও ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবেলায় জেলার ৫৩টি ইউনিয়নে ১ কোটি ৩২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তার চেক আজকেরই তুলে দিয়েছি।

পিরোজপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, জেলার ৭ উপজেলায় ৫৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র্র প্রস্তুত রয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে থাকার জন্য উপযুক্ত করা হয়েছে। পানি অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।



সাতদিনের সেরা