kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

হাতিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভেসে যাচ্ছে কাঁচাঘর

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০২১ ১৮:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাতিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ভেসে যাচ্ছে কাঁচাঘর

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ, নলচিরা, চর ইশ্বর ইউনিয়ন ও সুখচরের ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের বাইরে কয়েকটি গ্রাম পানিতে ডুবে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ণিমার প্রভাবের পাশাপশি ঘুর্ণিঝড় ইয়াসার প্রভাবে শুরু হওয়া জোয়ারে এসব এলাকা প্লাবিত হয়।

নিঝুমদ্বীপ ২নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কেফায়েত উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে হাতিয়ার চারপাশে নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৪ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নিঝুমদ্বীপে বেড়িবাঁধ না থাকায় অস্বাভাবিক জোয়ারে ডুবে গেছে চারটি গ্রাম। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, গো খাদ্য। অনেক এলাকায় মানুষের কাঁচাঘরও ভেসে গেছে।

সুখচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন জানান, তার ইউনিয়নের পশ্চিম রামচরন বাজার এলাকায় জোয়ারের প্রভাবে ৩ থেকে ৪ ফুট পানিতে ডুবে গেছে। সেখানে পুরানো বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করছে। বেড়িবাঁধের বাইরে দেড় শতাধিক পরিবার রয়েছে। তাদের উঁচু স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে। তবে পানি নেমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

হাতিয়ার সুকচরের বাসিন্দা ওয়ার্কাস পাটির নেতা আনোয়ার হেসেন জানান, বেড়িবাঁধের বাইরের বেশকিছু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

চর ইশ্বর ইউনিয়নের বাসিন্দা নুরু মিয়া জানান, বেড়িবাঁধের বাইরে জোয়রের কারণে পানি ঘরে ঢুকে পড়েছে। তবে জোয়ার চলে গেলে পানি নেমে যাবে। হাতিয়া বেড়িবাঁধ থাকলেও কাজ নিম্নমান হওয়ায় বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে পড়ে।

হাতিয়া উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মকর্তা (সিপিপি) কর্মকর্তা বদিউজ্জামান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব ও পূর্ণিমার প্রভাব এক হয়ে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতের জোয়ারে পানি আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমাদের ১৮১টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গত মানুষদেকে দ্রুত সেল্টারে নিয়ে আসা হবে।



সাতদিনের সেরা