kalerkantho

বুধবার । ২ আষাঢ় ১৪২৮। ১৬ জুন ২০২১। ৪ জিলকদ ১৪৪২

মেয়েকে হত্যার অভিযোগে সৎ মা আটক

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০২১ ১৮:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেয়েকে হত্যার অভিযোগে সৎ মা আটক

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার হরনী ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর পুলিশ চতুর্থ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ উপজেলার দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে সোমবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিল নিহত শাবনূর বেগম (১২)।

শাবনূর হরনী ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আদর্শ বাজারের ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের মেয়ে এবং স্থানীয় দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিহতের সৎ মা খালেদা আক্তারকে (২৯) আটক করেছে।

নিহতরে পিতা আবুল কাশেম জানান, ১২ বছর আগে সন্তান প্রসবের সময় তার প্রথম স্ত্রী মারা যায়। প্রথম ঘরে তার তিন মেয়ে এক ছেলে সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী খালেদা আক্তারের (২৯) ঘরে তার তিন ছেলে মেয়ে রয়েছে। তিনি স্থানীয় আদর্শ গ্রাম বাজারের একজন ব্যবসায়ী। সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার মেয়ে তাকে দোকানে সহযোগিতা করে। পরে তিনি মেয়েকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। দুপুরের দিকে তিনি বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করেন। কিন্তু তিনি দিনরাত খুঁজে তার কোনো সন্ধ্যান পাননি। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে প্রতিবেশীরা দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের ঝোপের মধ্যে শাবনূরের মরদেহ দেখতে পেয়ে তাকে খবর দেয়।

নিহতের পিতা আবুল কাশেম অভিযোগ করেন, এ ঘটনার পর তার বসত ঘরের একটি কক্ষে কিছু রক্তের দাগ দেখতে পাওয়া যায়। তার একটি লুঙ্গি এবং নিহত শাবনূরের একটি নতুন ওড়না ঘরের মধ্যে ভিজে অবস্থায় পাওয়া যায় এবং ঘরের পাশে দুটি লাঠি পাওয়া যায়। সৎ মা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে মনে করছেন। 

হাতিয়া মোর্শেদবাজার তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন জানান, নিহত শাবনূরকে মাথায়, মুখে, ঘাড়ে, কানে দা দিয়ে কোপানো এবং পিটিয়ে আঘাতের দাগ রয়েছে। তাকে হত্যা করে ঝোপে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহতের সৎ মাকে সন্দেহমূলক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা