kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৪ মে, ২০২১ ০১:৫৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০

নবীগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মো. দিলবার হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত এবং কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত ৪ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতদের নবীগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে মৃতের সুরতহাল তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০ নম্বর দেবপাড়া ইউনিয়নের কালাভরপুর গ্রামের মাঠে  ৩-৪ দিন আগে অনুষ্ঠিত ফুটবল খেলায় ওই গ্রামের আব্দুস শহীদ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া ও একই গ্রামের মৃত আকল মিয়ার ছেলে নবেল মিয়ার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে সুমন মিয়া আহত হয়। 

এ ব্যাপারে সুমনের ভাই দিলবার হোসেন শনিবার বিকেলে নবেল মিয়ার মায়ের কাছে বিচার দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন। এর জের ধরে রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবেল মিয়া তার ভাই আলফাজ মিয়া, বেলাল মিয়াসহ ৭-৮ জনের একদল লোক সুমন মিয়াকে স্থানীয় সারং বাজারে ধাওয়া করলে সুমন আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে বাড়িতে চলে যায়।

এ সময় উভয় পক্ষই হাঁকডাক দিয়ে বের হলে উভয় পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে দিলবার হোসেনসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। স্থানীয় লোকজন জ্ঞানশূন্য অবস্থায় দিলবার হোসেনসহ অপর আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দিলবার হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত আব্দুস শহিদ মিয়ার ছেলে ও মৃতের ভাই রিপন মিয়া (৩০) ও বাছিত মিয়া (৪০) এবং মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে আব্দুল হামিদ (৩২) ও আবুল কালামকে (৪৫) সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রেরণ করেন।

অপর আহতদের মধ্যে আব্দুল মুমিন (৩১), সুমন মিয়া (২২), গিয়াস উদ্দিন (২৩), আলফাজ মিয়া (৩০), নবেল মিয়া (২২), বেলাল মিয়াসহ (২৪) অন্য আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা কমপ্লেক্স, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম ও এসআই অমিতাভ তালুকদারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নবীগঞ্জ হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে মৃতের সুরতহাল তৈরি করে লাশ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা দায়েরের খবর পাওয়া যায়নি।



সাতদিনের সেরা