kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

এবার ঝড়ে আর ঘর ছাড়তে হবে না তাদের

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

২২ মে, ২০২১ ১৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার ঝড়ে আর ঘর ছাড়তে হবে না তাদের

কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ৯টি পরিবার পাচ্ছে পাকা ঘর। আজ শনিবার দুপুরে কালভেরী ব্যাপ্টিস্ট চার্চের উদ্যোগে দলিত সম্প্রদায়ের জন্যপাকা ঘর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়। ঘরের নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত দলিত সম্প্রদায়ের মানুষরা আনন্দ প্রকাশ করে জানায়, এবার তাদের আর ঘরের বাইরে গিয়ে থাকতে হবে না।

কালভেরী ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সাউথ ক্লাস্টারের চেয়ারম্যান স্টিফেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ঘর নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান, সাধারণ সমপাদক জয়দেব চক্রবর্ত্তী, উপজেলা বিআরডিবির সভাপতি মদন সাহা, প্রভাষক মশিউর রহমান, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক উৎপল দে, কালভেরী ব্যাপ্টিস্ট চার্চের প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রদীপ সিংহ, উজ্জ্বল দাস প্রমুখ।

আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মাধব দাস বলেন, এবার তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে পাকা ঘরে থাকতে পারবেন। গত বছর ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে তার বসতবাড়ি ভেঙে যায়। ঝড়ের ভেতর ঘর ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে অন্যের বাড়িতে উঠতে হয়েছিল। কালভেরী ব্যাপ্টিস্ট চার্চের কারণেই তিনি পাকা ঘর পেয়ে আনন্দিত। জানান, এবার ঝড়ে তাদের বাড়ির বাইরে থাকতে হবে না।

কালভেরী ব্যাপ্টিস্ট চার্চের সাউথ ক্লাস্টারের চেয়ারম্যান স্টিফেন বিশ্বাস বলেন, এ উদ্যোগে আম্ফান হাউজিং প্রকল্পের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত দলিত সম্প্রদায় ৯টি পরিবারের জন্য দুই কক্ষবিশিষ্ট পাকা টিনের ছাউনি ঘর তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে ৩টি ও সাবদিয়া গ্রামে ৬টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ওই ঘর পাবে। প্রতিটি ঘরের জন্য ১ লাখ ৮৭ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে। 



সাতদিনের সেরা