kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ‘জ্ঞানের আলো পাঠাগার’

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৭ মে, ২০২১ ১৯:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ‘জ্ঞানের আলো পাঠাগার’

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জ্ঞানের আলো পাঠাগার। এই সংগঠনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রেন টিউমারে আক্তান্ত এসএসসি পরীক্ষার্থী শেখ শাওন মুন্নার চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মুন্নার চিকিৎসা সম্পন্ন করে। চিকিৎসা খরচ শেষে অবশিষ্ট ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬৯৪ টাকা মুন্নার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

আজ সোমবার দুপুরে মুন্নার পরিবারের হাতে এ অর্থ তুলে দেয় জ্ঞানের আলো পাঠাগার। শেখ শাওন মুন্না তারাশী গ্রামের আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।

এ সময় কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য মাজহারুল আলম পান্না, প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান বুলু, আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুচ শেখ, শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি লিটন শেখ, পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জ্ঞানের আলো পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মন্ডল বলেন, জ্ঞানের আলো পাঠাগার তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেইজে মুন্নার চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা চেয়ে পোস্ট দেয়। এ পোস্টে সাড়া দিয়ে অনেক হৃদয়মান মানুষ এগিয়ে আসে। সংগ্রহ হয় ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩০৯ টাকা। চিকিৎসায় খরচ হয় ২ লক্ষ ৯০ হাজার ৬১৫ টাকা। অবশিষ্ট ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬৯৪ টাকা আজ সকালে মুন্নার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

কোটালীপাড়া থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি কোটালীপাড়া নতুন এসেছি। এখানে এসেই জ্ঞানের আলো পাঠগারের নাম শুনেছি। মানবতার সেবায় জ্ঞানের আলো পাঠাগার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

জেলা পরিষদ সদস্য মাজহারুল আলম পান্না বলেন, আর্তমানবতার সেবায় দীর্ঘদিন ধরে জ্ঞানের আলো পাঠাগার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের জটিল রোগের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন হয়েছে এই সংগঠনের মাধ্যমে। জ্ঞানের আলো পাঠগার সব সময় অসহায় মানুষের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে।

হালিম শেখ বলেন, জ্ঞানের আলো পাঠাগার এগিয়ে না আসলে মুন্নার চিকিৎসা সম্ভব ছিল না। পাঠাগারটির সদস্যদের  সহযোগিতায় আমার ছেলে আজ সুস্থ। আমি সংগঠনটির সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই।



সাতদিনের সেরা