kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

নেশার টাকা না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

বেনাপোল প্রতিনিধি    

১৬ মে, ২০২১ ১৬:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নেশার টাকা না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

নেশার টাকা না পেয়ে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা রুমা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে শ্বাস রোধ করে গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ ওঠেছে। শনিবার দিন রাতে বেনাপোল পোর্ট থানার শিবনাথপুর বারোপোতা গ্রামে নিহতের শ্বশুরবাড়িতে এঘটনা ঘটে। এঘটনায় পুলিশ কাউকে আটক করেনি।

রুমা খাতুন বেনাপোল পোর্ট থানার শিবনাথপুর বারোপোতা গ্রামের সাফিউল রহমানের ছেলে আরিফুল ইসলাম টুটুলের স্ত্রী ও একই থানার ইছাপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে। স্থানীয়রা বলেন, আরিফুল একজন মাদক কারবারি ও মাদকসাক্ত ছিল। নেশার টাকা না পেয়ে  রাতে তাকে কোনো একসময় শ্বাস রোধ করে গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে। রুমা আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল।

রুমার চাচাতো ভাই শামিম হোসেন বলেন, যেখানে লাশ ঝুলানো ছিল সেখানকার উচ্চতা ছিল মাত্র ৫ ফুট। রুমার পা মাটিতে ছিল। এতে ধারণা করা হয় তারা রুমাকে হত্যা করে সেখানে ঝুলিয়ে রেখেছিল। মাঝে মধ্যে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হতো। আমরা আমার বোনকে বাড়ি নিয়ে যেতাম। তখন আরিফুল রুমাকে হুমকি দিয়ে বলতো, 'তুই যদি বাড়ি না আসিস তোর পিতাকে কুপিয়ে হত্যা করব'। এই ভয়ে রুমা তার স্বামীর বাড়ি আবার ফিরে যেত।

তিনি আরো বলেন, থানার সামনে শিবনাথপুর বারোপোতা গ্রামের প্রভাবশালী মাদক কারবারি মোমিন মেম্বার ও তার ভাই আমাদের হুমকি দেয়, যাতে আমরা কোনো মামলা না করি। তারা বলে বেশি বাড়াবাড়ি করবি না- বাড়ি চলে যা।

ইউপি সদস্য মোমিন বলেন, মেয়েটি কি জন্যে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে তার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে খুব মিল ছিল। সুরহাতাল রিপোর্টে সব পাওয়া যাবে। তবে মাঝে মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো আমি তা মিটিয়ে দিতাম।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে বুঝা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা।



সাতদিনের সেরা