kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

মরণঘাতী করোনাভাইরাসও ঘরে রাখতে পারেনি ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৫ মে, ২০২১ ২০:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মরণঘাতী করোনাভাইরাসও ঘরে রাখতে পারেনি ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের

মরণঘাতী করোনাভাইরাসও ঘরে রাখতে পারেনি সৌন্দর্য ও ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের। করোনার ভয়ে ঘরে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষ জনজীবনে একটু সুখের পরশ পেতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরগুনার আমতলী পৌরসভার কোলঘেঁষে প্রমত্তা পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীর ব্লকপাড়ে ছুটে এসেছেন। দুই দিন ধরে ওই স্পটে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

শুক্রবার ও আজ শনিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আমতলী উপজেলা ও পৌরশহরের বিভিন্ন স্থান থেকে শিশু ও বৃদ্ধসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নানা বয়সের কয়েক হাজার নারী-পুরুষ এখানে ঘুরতে আসেন। ঘুরতে আসা অধিকাংশ ভ্রমণ পিপাসু দর্শনার্থীদের সামাজিক দূরত্ব স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।

অপরদিকে পায়রা নদীর ব্লকপাড়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী, চটপটি ও ফুসকাসহ নানা পণ্যের দোকান বসেছিল। প্রতিটি দোকানে খাদ্যসামগ্রী কিনতে দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে বেশি ভিড় ছিল ফুসকা ও চটপটির দোকানগুলোতে।

পায়রা নদীর ব্লকপাড়ে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী নিজামুল হক বলেন, মহামারি করোনার কারণে ঘরে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছি। তাই পরিবারের সকলকে নিয়ে এখানে একটু ঘুরতে আসলাম। তবে আজকে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। তিনি আরো বলেন, পায়রা নদী ভাঙনে পাড়ের ব্লকগুলো সরে যাওযায় এখানের সৌন্দর্য দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে।

শিশু দর্শনার্থী মাহিদ জানায়, সে তার ভাই-বোনদের সঙ্গে এখানে ঘুরতে এসেছে। নদীর পারে খেলাধুলা করেছে, ছবি (সেলফি) তুলেছে এবং ফুচকাও খেয়েছে।

চাকরিজীবী, শিক্ষিকা, গৃহবধূ, শিক্ষার্থীসহ পায়রা নদীর ব্লকপাড়ে ঘুরতে আসা একাধিক দর্শনার্থীরা জানায়, মহামারি করোনার ভয়ে এতদিন বাসা থেকে কেউ তেমন একটা বের হয়নি। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অনেকেই পরিবার ও বাচ্চাদের নিয়ে এখানে একটু ঘুরতে আসছে। তবে এখানে আগত দর্শনার্থীদের অধিকাংশ সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেন না। এতে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে।



সাতদিনের সেরা