kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

‘মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি’ কেড়ে নিল দুই ভাইয়ের প্রাণ

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৫ মে, ২০২১ ১৯:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি’ কেড়ে নিল দুই ভাইয়ের প্রাণ

ঢাকার ধামরাইয়ে আপন তিন চাচাতো ভাই সাব্বির হোসেন সিয়াম, ইমরান হোসেন ও বাইজিদ হোসেন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় আজ দুপুরে। বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইটের স্তূপের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সাব্বির হোসেন সিয়াম (১৩) ঘটনাস্থলে ও ইমরান হোসেন (১৭) সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। আহত বাইজিদ হোসেন (১৫) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাইজিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার দুপুরে ধামরাই-ধানতারা গ্রামীণ সড়কের মঙ্গলবাড়ি এলাকায়।

নিহত সিয়াম ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ভিএম হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার বাবা রুহল আমিন পল্লী মঙ্গল কর্মসূচি নামের একটি এনজিওতে চাকরি করেন।  দেড় মাস আগে ধামরাইয়ের ধানতারা শাখায় বদলি হয়ে আসেন তিনি। চাচাতো ভাই ইমরান সাভারের বারইপাড়ার একটি থাই অ্যালুমিনিয়াম দোকানের কর্মচারী ছিল। ইমরানের বাবা ইয়াহিয়া আলম। আহত বায়েজিদ হোসেন ধামরাই কুমড়াইলের বর্ণমালা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবার নাম আইয়ূব আলী। তাদের গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কইবাড়ি পাটোয়ারীপাড়ায়। তারা ঈদ উপলক্ষে ধানতারা বেড়াতে আসে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক মোটরসাইকেলে তিন চাচাতো ভাই ধামরাই সদরে আসার সময় ধামরাই-ধানতারা গ্রামীণ সড়কের মঙ্গলবাড়ির মোড় ঘুরতে গিয়ে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে রাখা ইটের স্তূপে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে সিয়াম নিহত হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় ইমরান ও বাইজিদকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ধামরাই থানার এস আই আনোয়ার হোসেন বলেন, মোড় ঘুরতে গিয়ে উচ্চ গতি সামলাতে না পেরে ইটের স্তূপের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে একজন নিহত হয়। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 



সাতদিনের সেরা