kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

গোপালগঞ্জে আসামি ধরতে গিয়ে বাড়ির লোককে পেটানোর অভিযোগ

পুলিশ বলছে ধস্তাধস্তি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৫ মে, ২০২১ ১৬:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোপালগঞ্জে আসামি ধরতে গিয়ে বাড়ির লোককে পেটানোর অভিযোগ

গোপালগঞ্জে চুরি মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশ আসামির ছেলে ও পুত্রবধূকে বেধড়ক মারধর করে আহত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার শহরতলির চরমানিকদাহ গ্রামের কাজির বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

আজ শনিবার সকালে চুরি মামলার অভিযুক্ত আসামি কাইয়ুমকে ধরতে যায় গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই অজিত কুমার সরকার ও এএসআই সাইদুর রহমান। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামি কাইয়ুম দৌড়ে পালিয়ে যায়।

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আহত ইনছান মোল্লা বলেন, পুলিশ আমার বাবা কাইয়ুম মোল্লাকে ধরতে যায়। আমি পুলিশ দেখে চিৎকার দিলে আমার বাবা দৌড়ে পালিয়ে যান। এই রাগে আমাকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে এএসআই সাইদুর রহমান এবং এসআই অজিত কুমার সরকার। আমার স্ত্রী ঠেকাতে এলে তাকেও মারধর করে আহত করে পুলিশ। এ সময় আমার শিশুপুত্রকে তার মায়ের কোল থেকে ছিটকে ফেলে দেয়। 

তিনি আরো বলেন, এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বাড়ির সামনে সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে  ওই দুই পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম পুলিশ নিয়ে গিয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে এবং আমাদের পুলিশের গাড়িতে করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করে চিকিৎসা দিয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, একটি ডাকাতিসহ একাধিক চুরি মামলার আসামি কাইয়ুম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা তার বাড়িতে যায়। পুলিশ আসামিকে ধরে ফেললে তার পুত্র ও পুত্রবধূ পুলিশকে ঝাপটে ধরে বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের হাতে কামড়ে দেয়। এই সুযোগে অভিযুক্ত কাইয়ুম পালিয়ে যায়। পুলিশের সঙ্গে ইনছান ও তার স্ত্রীর ধস্তাধস্তির সময় তাদের শিশুটিও আঘাত পায়। তাদের হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি লতিফপুর ইউনিয়নের ঘোষেরচর উত্তরপাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ পুলিশসহ উভয় পক্ষের অর্ধশত মানুষ আহত হয়। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা হয়। এই মামলায় অনেকে আসামি আছেন। এতে পুলিশের বিপক্ষে একটি গ্রুপ এই অপবাদ দিচ্ছে।



সাতদিনের সেরা