kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

পুলিশ গাড়ি ফেরালেও ফিরছে না মানুষ

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

১১ মে, ২০২১ ১৬:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশ গাড়ি ফেরালেও ফিরছে না মানুষ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে সরকারি আদেশ উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি ও চরম দুর্ভোগের মধ্যেও বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছে মানুষ। এ সুযোগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন পরিবহনের চালকরা। পুলিশের চেকপোস্টে যাত্রীদের নামিয়ে গাড়ি ফেরালেও ফিরছেন না তারা। ছুটছেন গ্রামের বাড়ি। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে যাত্রী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গে যাতায়াতের প্রবেশদ্বার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রি-মোড় ও চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের বাড়ইপাড়া এলাকার নন্দন পার্কের সামনে বসানো হয়েছে পুলিশের চেক পোস্ট। পুলিশের চেকপোস্টে যাত্রীদের নামিয়ে গাড়ি ফেরালেও ফিরছেন না মানুষ। যাত্রীরা পায়ে হেঁটে কিছু দূর গিয়ে আবারো গাড়িতে ওঠার চেষ্টা করছে।

এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানী ঢাকার প্রবেশদ্বার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে ঘরমুখী মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। দূরপাল্লার যানবাহন না থাকায় মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, সিএনজি, প্রাইভেটকার যে যেভাবে পারছেন ছুটে চলেছেন। কারো মধ্যেই সরকারি বিধি নিষেধ ও করোনা মহামারির ভয় নেই।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়কের কালিয়াকৈর সীমানা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। যাতে করে অন্য জেলার পরিবহনগুলো আমাদের থানা এলাকায় ঢুকতে না পারে।

সালনা (কোনাবাড়ি) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক জানান, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। এ কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রি-মোড় এলাকায় আমাদের চেক পোস্ট রয়েছে। কিন্তু অন্য জেলার গাড়ি ফিরিয়ে দিলে যাত্রীরা তা মানছেন না। 



সাতদিনের সেরা