kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

সরকারি ভিজিএফের টাকা ছিনতাই, তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১০ মে, ২০২১ ২৩:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সরকারি ভিজিএফের টাকা ছিনতাই, তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার

নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফের টাকা বিতরণকালে আজ সোমবার বিকালে ইউপি অফিস থেকে মনির মিয়া নামে এক ছিনতাইকারী প্রায় ২ লাখ টাকা ব্যাগসহ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ছিনতাইকারীর কবল থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা পর ছিনতাইকৃত টাকাগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ছিনতাইকারী মনির রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রয়েছে অধরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সারা দেশের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফের নগদ অর্থ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়। উক্ত বরাদ্দের টাকা গত ৫ এপ্রিল নবীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে চেয়ারম্যান ছাইম উদ্দিন গত ৬ ও ৮ এপ্রিল ৬টি (১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৭) ওয়ার্ডে ভিজিএফ কার্ডধারীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন।

আজ সোমবার ইউপি অফিসে সকাল থেকে ওই ইউনিয়নের ৬/৮ ও ৯নং ৮ ওয়ার্ডের ভিজিএফ কার্ডধারীদের মাঝে উক্ত টাকা বিতরণ করেন। প্রায় ৪১৮ জন কার্ডধারী অনুপস্থিত থাকেন। ফলে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ টাকা বিতরণ করা হয়নি। ভিজিএফ প্রাপ্ত তালিকাভুক্তির অনুপস্থিত লোকজনের প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮০০ টাকা  পরিষদের দায়িত্বপাপ্ত সেক্রেটারী করগাঁও গ্রামের সবুজ মিয়া ব্যাগে করে সংরক্ষণ করার সময় ছোট সাকুয়া গ্রামের হাজী রহিম উল্লার ছেলে মনির মিয়া প্রকাশ্যে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে যায়। লোকজন তার পেছনে ধাওয়া দিয়েও তাকে ধরতে পারেননি।

খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার এসআই অমিতাভের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ছিনতাইকারী ও ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টার মাথায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ উল্লেখিত ছিনতাইকৃত টাকাগুলো উদ্ধার করেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি ওই এলাকায় জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় চেয়ারম্যান ছাইম উদ্দিন বলেন, টাকা নেওয়ার ঘটনাটি সত্য। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি জানালে নবীগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগীতা নিতে বলেন। পুলিশের উপস্থিতে এলাকার মনিরের পরিবারের লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে টাকা ভর্তি ব্যাগ উদ্ধার করেন। এ সময় পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি মনির একজন মানসিক রোগী।



সাতদিনের সেরা