kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

‘যশোরে চ্যালেঞ্জটা বহুমুখী, রাত-দিন কাজ করতে হচ্ছে’

যশোর প্রতিনিধি   

১০ মে, ২০২১ ২২:৫০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘যশোরে চ্যালেঞ্জটা বহুমুখী, রাত-দিন কাজ করতে হচ্ছে’

যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে আসা লোকদের কোয়ারেন্টিনে রাখা। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ। এর বাইরে প্রশাসনের দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যাওয়ার মতো বহুমুখী কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে যশোর জেলা প্রশাসন।

যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, অন্য জেলার চেয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ একটু বেশি। বিশেষ করে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশিদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে গিয়ে অনেক বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া লাগছে। তাই যশোরে এই মুহূর্তের চ্যালেঞ্জটা বহুমুখী। রাত-দিন কাজ করতে হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী, পুলিশ, সিভিল সার্জন অফিসের সংশ্লিষ্টরাসহ আমরা সবাই সমন্বয়ের মাধ্যমে একটা টিম হিসেবে কাজ করছি। এ কারণে প্রথম দিকে বড় সমস্যা মনে হলেও আমরা সেটা সুন্দরভাবে মোকাবেলা করতে পেরেছি। বলতে পারেন যশোর টিম সংকটপূর্ণ অবস্থা সফলতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারছে। ঈদ সামনে চলে আসলেও জেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রোজার মধ্যেও অফিসের কাজে বেশি সময় দিচ্ছেন। এই টিম স্পিরিটটি আমরা ধরে রাখতে চাই।

এদিকে করোনায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ও নগদ অর্থ নীরবে পৌঁছে দিচ্ছে যশোর জেলা প্রশাসন। এর বাইরে ব্যক্তিগত যোগযোগ, কারো মাধ্যমে পাওয়া তথ্য, জেলা প্রশাসকের মোবাইলে কষ্টে দিনাতিপাতের বিষয় উল্লেখ করে এসএমএস, জাতীয় হটলাইন নম্বর ৩৩৩ সহ বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান জানান, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী উপহার কার্যক্রমকে বেশি প্রচারের আলোতে এনে লোক দেখানো কাজে পরিণত করা হচ্ছে না। এ কারণে উপহার গ্রহীতা কারো ছবি গণমাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে না। এমনও রয়েছেন যারা মধ্যবিত্ত এবং সবার সামনে থেকে উপহার গ্রহণে লজ্জা পান। নীরবে যোগ্য ব্যক্তিকে উপহার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সন্ধ্যার পরের সময় উপকারভোগীর বাড়িতে সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। 

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, ৮ মে পর্যন্ত জেলায় ১৭৭০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার এবং শিল্পীদের ৪০ হাজার টাকা নগদ বিতরণ করা হয়েছে। সর্বমোট আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা।

এছাড়াও যশোরের আট উপজেলার নির্বাহী অফিসাররা স্ব স্ব এলাকার উপহার বিতরণ কার্যক্রম চালু রেখেছেন। 



সাতদিনের সেরা