kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

৪ হাজার করে টাকা নিয়েও ভিজিডি কার্ড দেননি ইউপি সদস্য

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি    

১০ মে, ২০২১ ১৩:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৪ হাজার করে টাকা নিয়েও ভিজিডি কার্ড দেননি ইউপি সদস্য

গুরুদাসপুর (নাটোর): ১০ মাস আগে টাকা দিয়েও ভিজিডি কার্ড পাননি রেবেকা। ছবি: কালের কণ্ঠ

হাফিজুল ইসলাম নাটোরের গুরুদাসপুরের বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ী ভিটেপাড়া গ্রামের একজন দিনমজুর।

হাফিজুলের স্ত্রী রেবেকাকে ভিজিডি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ওই ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য আনোয়ারা বেগম। অভিযোগ রয়েছে এই উদ্দেশ্যে ওই দিনমজুরের কাছ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকাও হাতিয়ে নেন ওই নারী সদস্য।

শুধু রেবেকা নন, ভিজিডি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেকের কাছ থেকেই আনোয়ারা বেগম টাকা নিয়েছেন। কিন্তু তাঁদের ভিজিডি কার্ড দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গেলে ওই এলাকার খাদেমুলের স্ত্রী হামেদা ও হাসান আলীর স্ত্রী রোজিনা বেগমসহ বেশ কয়েকজন জানান, তাঁদের কাছ থেকেও ভিজিডি কার্ড দেওয়ার নাম করে ৪ হাজার করে টাকা নিয়েছেন ওই মেম্বার। প্রতিবেশী তফিজের মেয়ে প্রতিবন্ধী শাহিদার কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে ওই মেম্বারকে টাকা দেওয়া হয়। ১০ মাস ধরে প্রতি ৪ হাজার টাকায় মাসে ২০০ টাকা করে সুদ দিতে হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ রয়েছে, এভাবে অন্তত ৫০-৬০ জনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন মহিলা মেম্বার আনোয়ারা। টাকা নিয়েও ভিজিডির কার্ড না দেওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, 'ভিজিডি কার্ডের পরিবর্তে টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। অভিযুক্ত নারী সদস্য টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও ফেরত দিচ্ছেন না।'

জানতে চাইলে অভিযুক্ত আনোয়ারা বেগম প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে রেবেকার টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। সেই সঙ্গে বলেছেন, 'যাঁদের কার্ড হয়নি তাঁরা চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করুক।'

এ ব্যাপারে বিয়াঘাট ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের মুঠোফোনে স্থানীয় সাংবাদিকরা বারবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।



সাতদিনের সেরা