kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

থামছে না ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্রোত

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

৮ মে, ২০২১ ১৮:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



থামছে না ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্রোত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারি নানা বিধিনিষেধ থাকলেও বন্ধ করা যাচ্ছে না ঈদে ঘরমুখো মানুষের স্রোত। শনিবার ভোরে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ মুখী কয়েক হাজার যাত্রী নিয়ে শতাধিক যাত্রীবাহী বাস যমুনা সেতুর টোল প্লাজায় পৌঁছে। এক জেলার গাড়ি অন্য জেলায় যাতায়াতের সরকারি বিধি নিষেধের কথা উল্লেখ করে সেতু কর্তৃপক্ষ যাত্রী বোঝাই বাসগুলোকে সেতুর উপর দিয়ে পারাপার করতে অস্বীকৃতি জানায়।

এ সময় হাজার হাজার যাত্রী, বাসের চালক ও শ্রমিকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে সেতু কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে এসব দূর পাল্লার বাসগুলোকে সেতু দিয়ে পারাপার করতে বাধ্য হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আসন ঈদুল ফিতরকে কেদ্র করে ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলে ফিরছে মানুষ। এতে সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযাগ মহাসড়ক যানবাহনের চাপ বেড়েছ। শনিবার সকাল ১০টার পর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযাগ মহাসড়কের বিভিন পয়েন্টে কর্মজীবী নারী ও পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। যে যে ভাবে পারছেন বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ও পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন নিষেধাজ্ঞা থাকায় চরম ভোগান্তি পড়েছে সাধারণ মানুষ। তবে প্রাইভেটকার, মাইক্রাবাস, ট্রাকে করে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে অনেককে। বঙ্গবন্ধু সেতু গোল চত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

করানাভাইরাসের আতঙ্ক উপেক্ষা করে অটোরিকশা, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, মাইক্রাবাস, ট্রাকসহ ছোট ছোট যানবাহনে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গাড়ি পরিবর্তন করে বাড়ি ফিরছেন শ্রমজীবী মানুষ।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কড্ডার মোড়, নলকা ও হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় ঢাকাসহ বিভিন জেলা থেকে আসা যাত্রীরা চরম ভোগান্তি পোহালেও সকলেই বাড়ি ফেরার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। যানবহনে করে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে অসংখ্য যাত্রীকে পায়ে হেঁটে আসতে দেখা গেছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী বলেন, উত্তর বঙ্গমুখী মানুষের চাপ আছে। ছোট ছোট যানবাহনে মানুষ আসছে। তাদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। সড়ক কোনো যানজট নেই। গণপরিবহণ বা বড় যানবাহন এলে তাদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। মহাসড়কে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে। সরকারি নির্দশনা মেনেই যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা