kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

নিখোঁজের ৩ দিন পর মোটরসাইকেলচালকের লাশ মিলল পুকুরে

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি    

৮ মে, ২০২১ ১১:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিখোঁজের ৩ দিন পর মোটরসাইকেলচালকের লাশ মিলল পুকুরে

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ভাড়ায় যাত্রী নিয়ে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর রাজিব মিয়া (২৩) নামের মোটরসাইকেলচালকের হাত-মুখ বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গতকাল শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের ভাটিয়া এলাকার ইসলাম ফিশারি নামের পুকুর থেকে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে চাপা দেওয়া গলা ও হাত- মুখ বাঁধা লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রাজিব মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দেওথান গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে। প্রায় ১ বছর ধরে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছিলেন তিনি।

গত বুধবার (৫ মে) রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ পৌর শহরে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ের সামনের মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মোটরসাইকেলে দুজন যাত্রী নিয়ে উপজেলার আদর্শনগর বাজারের উদ্দেশে রওনা দেন রাজিব। এর পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।

ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকার তিনজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করলেও তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন থানার এসআই মমতাজ উদ্দিন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাত ১০টার দিকে মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে দুজন যাত্রী নিয়ে উপজেলার আদর্শনগর বাজারের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি রাজিব। এর পর পরিবারের লোকজন তাঁকে রাতেই অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরও কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে তাঁর মোটরসাইকেলটি উপজেলার ভাটিয়া এলাকার একটি ধান ক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী তা পুলিশকে জানায়। এর সূত্র ধরে পুলিশ ওই এলাকায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ওই এলাকার ইসলাম ফিশারি নামের একটি পুকুর থেকে রাজিবের মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। গলা ও হাত-মুখ রশি দিয়ে বেঁধে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে চাপা দিয়ে রাখা ছিল লাশটি।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে  তিনজনকে আটক করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার  রহস্য উদঘাটনের জন্য এলাকার বিভিন্ন লোকজনদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ওসি জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (অপরাধ) সরাসরি তত্ত্বাবধানে তদন্ত কাজ চলছে। 



সাতদিনের সেরা