kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

গৌরীপুরে শুভ্র হত্যা

বাদীর ওপর হামলায় মেয়রসহ ৩৮ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৫

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৭ মে, ২০২১ ২২:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাদীর ওপর হামলায় মেয়রসহ ৩৮ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৫

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাসুদুর রহমান শুভ্র হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিলের পরদিন মামলার বাদী নিহতের ছোট ভাই আবিদুর রহমান প্রান্ত (২৪) সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গৌরীপুর পৌর শহরে কালিপুর মধ্যম তরফ এলাকায় এ হামলার ঘটনাটি ঘটে। 

এ সময় কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় জড়িত গৌরীপুর পৌর যুবলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান মিথুনসহ পাঁচজনকে আটক করেছে গৌরীপুর থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার বিকেলে পৌর মেয়রসহ ৩৮ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে।

নিহত শুভ্র’র চাচা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাদেকুর রহমান সেলিম জানান, ঘটনার দিন উপজেলার বোকাইনগর এলাকায় জনৈক এক অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়েছিল প্রান্ত। সেখান থেকে মোটর সাইকেলযোগে বাসায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌর শহরে কালীপুর মধ্যম তরফ এলাকায় সশস্ত্র মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে প্রান্ত’র অতর্কিতে হামলা চালায় শুভ্র হত্যা মামলার অন্যতম আসামি পৌর মেয়রের লোকজন। এ সময় হামলাকারীরা কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।

তিনি বলেন, শুভ্র হত্যা মামলায় পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলামসহ ১৯ জনের নামে বুধবার (৫ মে) আদালতে চার্জশিট দাখিল করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদী প্রান্তকে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে পরদিন পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালায় পৌর মেয়রের লোকজন। পৌর মেয়রের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় মেহেদী হাসান মিথুন এ সশস্ত্র হামলার নেতৃত্ব দেন। হামলাকালে প্রান্তকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয় বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, কোনো ধরনের ঘটনাই ঘটেনি। নিজেরাই ঘটনা সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জানা যায়, গত বছর ১৭ অক্টোবর গৌরীপুর মধ্যবাজার এলাকায় গৌরীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান শুভ্রকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে পৌর মেয়র, বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২৬ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়। মামলায় পৌর মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম রফিক ও তার দুই ভাই এবং ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াদুজ্জামান রিয়াদ বর্তমানে উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন।



সাতদিনের সেরা