kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

'মানবিক সহায়তা' নিয়ে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

৭ মে, ২০২১ ১৭:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'মানবিক সহায়তা' নিয়ে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

যশোরের কেশবপুরে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সরকারি মানবিক সহায়তা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

আহতদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সরকারি মানবিক সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ এবাদত সিদ্দিক বিপুল এবং পৌর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ গ্রুপের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়ায়। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বালিয়াডাঙ্গা সাইক্লোন শেল্টারে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে ৪৫০ টাকা করে সরকারি সহায়তা দেওয়ার সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। 

সংঘর্ষে কাউন্সিলর শেখ এবাদত সিদ্দিক বিপুল গ্রুপের সমর্থক বালিয়াডাঙ্গা এলাকার মেহেদী হাসান (৩২), সোহেল রানা (৩২), আমীর আলী (৫০), আব্দুর রশিদ, আফছার আলী (৬৫) ও আবুল কালাম আজাদ গ্রুপের সমর্থক সোহান (২৫), মারুফ (৩৫), জাহিদ (২৫), রাজু (২৫), কুদ্দুস (২৭), নাজমুল (২২) এবং ফাতেমা বেগম (৪০) আহত হন। 

আহতদের উদ্ধার করে এলাকাবাসী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এর মধ্যে গুরুতর আহত সোহান, নাজমুল ও সোহেল রানাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় শেখ এবাদত সিদ্দিক বিপুল ও আবুল কালাম আজাদ একে অপরকে দোষারোপ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে তাদের সমর্থকদের ওপর ওই হামলা করা হয়েছে।

সরকারি সহায়তা বিতরণকারী পৌরসভার অফিস সহকারী হাবিবুর রহমান জানান, বালিয়াডাঙ্গা সাইক্লোন শেল্টারে দু্ই পক্ষের সংঘর্ষের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সরকারি মানবিক সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করে দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার আহসানুল মিজান রুমী বলেন, হাসপাতালে ১১ জন ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্য থেকে দুজনকে রেফার্ড করা হয়েছে। বাকি চারজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। কেউ অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



সাতদিনের সেরা