kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১০ আষাঢ় ১৪২৮। ২৪ জুন ২০২১। ১২ জিলকদ ১৪৪২

লাইভে এসে প্রবাসীর আত্মহত্যা; স্ত্রী-শাশুড়িসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বেনাপোল প্রতিনিধি   

৭ মে, ২০২১ ০১:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লাইভে এসে প্রবাসীর আত্মহত্যা; স্ত্রী-শাশুড়িসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

রফিকুল ইসলাম

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে ফেসবুক লাইভে এসে প্রবাসীর আত্মহত্যা প্ররোচণার ঘটনায় বৃহস্পতিবার স্ত্রীসহ ছয়জনের নামে মামলার চার্জশিট দাখিল করেছে শার্শা থানার পুলিশ। নিহত মালয়েশিয়া প্রবাসী রফিকুল ইসলাম উপজেলার কাজীরবেড় গ্রামের দিদার হোসেনের ছেলে।

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- নিহতের স্ত্রী মনিরা ইয়াসমিন, মনিরার মা আয়শা খাতুন, উপজেলার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী রিনা খাতুন, গাতীপাড়া গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে সাইদুল ও হাতেম আলীর ছেলে আব্দুল হক এবং ঝিকরগাছা উপজেলা মাটশিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার মল্লিকের ছেলে সাইদুর রহমান। 

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় যশোরের লাইব্রেরি প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমানকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মেহেদি হাসান। মৃত্যুর আগে স্ট্যাম্পে আসামীদের নাম লিখে গেলেও মামলার অন্যতম আসামি যশোরের লাইব্রেরি প্রিন্সিপ্যাল হাবিবুর রহমানের অব্যহতি নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম মালয়েশিয়া থাকতেন। ঘটনার ১৩ দিন আগে তিনি দেশে ফেরেন। বাড়িতে এসে জানতে পারেন, তার স্ত্রী-সন্তান যশোর শহরের শংকরপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে। পরে তিনি শংকরপুর বাসায় এসে স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য বললে তারা বাড়ি ফিরে যেতে অস্বীকার করে। 

আসামিরা নিহত প্রবাসীর পাঠানো ১৪ লাখ টাকা ও আসবাবপত্র ফেরত দেবে না এবং মনিরা রফিকুলের সঙ্গে সংসার করবে না বলে জানিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে আসামিরা তাকে গালিগালাজ করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং মরে যেতে বলে। এরপর ২০২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর স্ত্রী সন্তানকে না পাওয়ার ক্ষোভে বাড়িতে এসে রফিকুল আসামিদের দায়ী করে স্ট্যাম্পে লিখে এবং ফেসবুক লাইভে এসে বিষপান করেন। 



সাতদিনের সেরা