kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

অনিয়ম ঠেকাতে ইউএনওর অভিনব উদ্যোগ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৬ মে, ২০২১ ২১:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অনিয়ম ঠেকাতে ইউএনওর অভিনব উদ্যোগ

দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ভিজিএফের (ভালনারেবল গ্রুফ ফিডিং) অর্থ বিতরণে অনিয়ম ঠেকাতে এবার সফটওয়্যার তৈরি করে তার মাধ্যমে নগদ টাকা বিতরণ করছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন। প্রতিবছর ঈদের আগে চাল বিতরণ করা হলেও এবার জনপ্রতি ৪৫০ টাকা দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার চারটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

জানা যায়, উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৭৩ হাজার ৫৮৮ জন দুস্থ বাছাই করা হয়। ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে দুস্থদের তালিকা প্রস্তুত করে তা সংরক্ষণের জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করে প্রশাসন। সুষ্ঠুভাবে সরকারি সহায়তা বিতরণের লক্ষ্যে ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ঈশ্বরগঞ্জ’ নাম দেওয়া হয়। এতে মোবাইল নাম্বার ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম্বারসহ (এনআইডি) নাগরিকদের সব তথ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ভিজিএফ নীতিমালার শর্তানুযায়ী কমপক্ষে ৭০ শতাংশ নারী উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়েছে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করায় একই ব্যক্তি একাধিকবার তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভিজিএফের প্রাপ্যতা রয়েছে এমন সব পরিবার থেকে কমপক্ষে একজনকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উপকারভোগীরা আগে থেকে মাস্টাররোলে তাঁর ক্রমিক নাম্বার জানা থাকায় বিতরণও খুব সহজভাবে করা যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সোহাগী, সরিষা, আঠারবাড়ী ও মাইজবাগ ইউনিয়নে বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গ্রামভিত্তিক উপকারভোগীরা এসে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নিয়ে নিজের ক্রমিক নাম্বার সংগ্রহ করে সহজেই টাকা সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে টাকা। এর আগে ঈদের মধ্যে চাল সংগ্রহ করতে যেয়ে নানা জঠিলতা দেখা দিতো ইউনিয়ন পরিষদে। তা ছাড়া উপকারভোগীরা ঠিকমতো পেতেন না। দুর্নীতি ও অনিয়ম হতো অনেক বেশি। একটি সফটওয়্যারেই সব অনিয়ম ঠেকাবে।



সাতদিনের সেরা