kalerkantho

শনিবার । ২৫ বৈশাখ ১৪২৮। ৮ মে ২০২১। ২৫ রমজান ১৪৪২

'ধর্ষকের' ডিএনএ মিলল না, এবার কিশোরীর মুখে অনেকের নাম!

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৪ মে, ২০২১ ১৭:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ধর্ষকের' ডিএনএ মিলল না, এবার কিশোরীর মুখে অনেকের নাম!

প্রতীকী ছবি।

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক ব্যক্তির ধর্ষণে জন্ম নেওয়া বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণীর পুত্রসন্তানের পিতৃপরিচয় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন ধর্ষকের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু তার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের সঙ্গে প্রতিবন্ধীর সন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না। ফলে প্রতিবন্ধী ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও ভিকটিমকে নিয়ে থানা পুলিশ চরম বিপাকে পড়েছে।  

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এক দর্জির দত্তক সন্তান বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ১৬ বছরের এক কিশোরী গত বছরের ২৫ জানুয়ারি প্রতিবেশী বিদ্যুতের ধর্ষণের শিকার হয়। এরপর ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই বাড়ি থেকে কেটে পড়ে বিদ্যুৎ। এ কারণে মেয়েটি এ বিষয়টি প্রকাশ করেনি। এ অবস্থায় মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন দেখে মা-বাবা তাকে জিজ্ঞেস করলে ধর্ষণের বিষয়টি প্রকাশ করে। তখন চিকিৎসকের পরামর্শে অসহায় মা-বাবা মেয়ের শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান। পরে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী মা-বাবা জানতে পারেন মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে।

এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি বাদী হয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার একমাত্র আসামি বিদ্যুৎকে ওই দিনই পুলিশ গ্রেপ্তারপূর্বক আদালতের মাধ্যমে যশোর সেভ হোমে প্রেরণ করে। সেখান থেকে ১১ অক্টোবর ঢাকা সিআইডির সদর দপ্তরে বিদ্যুতের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়েছে। এ অবস্থায় গত ২৭ নভেম্বর মেয়েটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবর রহমান বলেন, ধর্ষণে জন্ম নেওয়া প্রতিবন্ধীর সন্তানের পিতৃপরিচয় শনাক্ত করতে বিদ্যুতের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু তার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনের সঙ্গে সন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না। এরপর ওই প্রতিবন্ধী আরো কয়েক জনের নাম প্রকাশ করেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে প্রতিবন্ধীর সন্তানের পিতৃপরিচয় জানার আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।



সাতদিনের সেরা