kalerkantho

শনিবার । ২৫ বৈশাখ ১৪২৮। ৮ মে ২০২১। ২৫ রমজান ১৪৪২

বিয়ের দাবিতে ধর্ষকের বাড়িতে মেয়েটি

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি    

৩০ এপ্রিল, ২০২১ ১২:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিয়ের দাবিতে ধর্ষকের বাড়িতে মেয়েটি

প্রতীকী ছবি

রাজশাহীর বাঘায় প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বাদী হয়ে বাঘা উপজেলার ঝিনা দক্ষিণপাড়া মহল্লার আব্দুস সালামের ছেলে শহিদুল ইসলামকে (৩১) আসামি করে বাঘা থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাতে বাঘা থানায় এজাহার হিসাবে রেকর্ডভুক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, রাজশাহীর বাঘার ওই কলেজছাত্রীর সাথে শহিদুল ইসলাম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহিদুল ইসলাম ওই ছাত্রীর বাসায় ও বিভিন্ন স্থানে নিয়ে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। এরপর মেয়েটি তাকে বিয়ের করার প্রস্তাব দিলে শহিদুল তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রী ২৮ এপ্রিল বুধবার রাতে বিয়ের দাবি নিয়ে শহিদুলের বাড়িতে চলে যান। ওই সময় বাড়িতে  শহিদুল ছিলেন না। তখন কলেজছাত্রী শহিদুলের পিতা-মাতা ও তার ভাইকে ঘটনা সম্পর্কে অবগত করেন। এরপর তারা মেয়েটিকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। শহিদুলের সাথে তাকে বিয়ে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেন। 

অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য প্রধান আসামি শহিদুলের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে। শহিদুলের মা সালেহা বেগম বলেন, তার ছেলে শহিদুল কোথায় আছেন, তা তিনি জানেন না।  

এদিকে ছাত্রীর পিতা জানান, ওই লম্পট শহিদুল ইসলাম একাধিক মেয়েকে মিথ্যা প্রেমের জালে জড়িয়ে তাদের জীবন নষ্ট করেছে। 

বাঘা থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, শহিদুল ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। ধর্ষণের শিকার ওই কলেজছাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।



সাতদিনের সেরা