kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

বসত ঘরে তৈরি হচ্ছে লাচ্চা! অভিযোগ নেই বলে প্রশাসনও নিশ্চুপ

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

২৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৬:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বসত ঘরে তৈরি হচ্ছে লাচ্চা! অভিযোগ নেই বলে প্রশাসনও নিশ্চুপ

ঈদকে সামনে রেখে পার্বতীপুরের বেশ কয়েকটি এলাকায় গড়ে উঠেছে ভেজাল লাচ্চা সেমাই কারখানা।  বিএসটিআই-এর অনুমোদন ছাড়াই এসব কারখানায় নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে সেমাই। অধিক মুনাফার আশায় সেমাই ভাজার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে পাম অয়েল, অনুপযোগী নিম্নমানের ময়দা, পোড়া তেল ও রং। 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গেলে দুটি বিস্কুট তৈরির বেকারিতে অবৈধ ও অনুমোদনহীন এসব লাচ্ছা সেমাই তৈরির কর্মকাণ্ড চোখে পড়ে। কারখানা দুটি হলো- মোমিনপুর ইউপি’র যশাইমোড় এলাকার মদিনা বেকারী ও মন্মথপুর ইউনিয়নের দ্যাগলাগঞ্জ বাজারের বর্ষা বেকারী।

মদিনা বেকারির ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, তৈরিকৃত ভেজাল লাচ্ছা সেমাইয়ের মজুদ, সেমাই তৈরির চুলা, পাম ওয়েল ভর্তি অসংখ্য ড্রাম ও নিম্নমানের ময়দার বস্তা। বেকারি মালিক আব্দুল আজিজের কাছে সেমাই তৈরির অনুমোদন আছে কি না জিজ্ঞেস করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

অন্যদিকে, মন্মথপুর ইউপি’র সিদ্ধারির ডাঙ্গায় (বেলতলির ডাঙ্গা) সজেমিনে গেলে দেখা যায় দ্যাগলাগঞ্জ বাজারের বর্ষা বেকারির মালিক বাবলু হোসেন তার বসতবাড়ির একটি স্যাঁতস্যাঁতে গোডাউন ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভেজাল লাচ্ছা সেমাই তেরি করছেন। অতঃপর প্যাকেটজাত করে মজুদ করছেন দ্যাগলাগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ পাশে জনৈক আফিজুলের গোডাউনে।

বেকারি মালিক বাবলু হোসেনের মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমার বেকারির ভেতরের জায়গা সংকট থাকায় নিজ বাড়িতেই লাচ্ছা সেমাই তৈরি করছি। বিএসটিআই কর্তৃপক্ষের নিকট লাচ্ছা সেমাই তৈরির অনুমোদনপত্র চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আমি কর্তৃপক্ষের মৌখিক অনুমতি নিয়ে পরিক্ষামূলকভাবে লাচ্ছা তৈরি করছি।

পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাশিদ কায়সার রিয়াদ বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে এসব ভেজাল লাচ্ছা সেমাই প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা