kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

সরকার পুলিশের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে : জাফরুল্লাহ

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৫ এপ্রিল, ২০২১ ২০:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সরকার পুলিশের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে : জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ বলেছেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেটের হুকুম ছাড়া শ্রমিককে পুলিশ গুলি করে হত্যা করায় ঘটনাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন। পুলিশ স্বীকার করেছে ম্যাজিস্ট্রেটের হুকুম ছাড়া তারা শ্রমিকের ওপর গুলি করেছে। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বীকার করার রেকর্ড আছে। পুলিশের সাথে সাথে একটি সিন্ডিকেট বাহিনীও গুলি করেছে। শ্রমিকদের নির্যাতন নিপীড়ন করছে। ওই সিন্ডিকেট বাহিনীকে খুঁজে বের করতে হবে।

বাঁশখালীর কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গত ১৭ এপ্রিল পুলিশের গুলিতে নিহত গন্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনার মাহমুদ রেজার বাড়ির উঠানে আজ বিকেলে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান।

তিনি আরো বলেন, সরকার পুলিশের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। তাই পুলিশ প্রকৃত ঘটনা মুখ খুলতে পারছেন না। সরকার ১৬ বছরে যে উন্নয়ন করেছে তা গন্ডামারায় ভেসে উঠেছে। এত বড় প্রকল্প অথচ গন্ডামারায় রাস্তাঘাটের বেহালদশা। উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি গন্ডামারার বেহাল রাস্তাঘাটে প্রকাশ পাচ্ছে।

ওখানে বক্তব্য দেওয়ার আগে তিনি বিকেলে বাঁশখালীর গন্ডামারা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় যান। কিন্তু বিদ্যুৎ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ প্রকল্পের দক্ষিণ প্রান্তের সড়ক পথ থেকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ তার সঙ্গে যাওয়া ৮ সদস্যের টিমকে প্রকল্পে ঢুকতে দেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল, গণসংহতি পরিষদ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ শাকী, মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর, মুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াজ আজিজ ওলফাত, রাষ্ট্র চিন্তার সদস্য অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, ব্যারিস্ট্রার সাফিয়া আরমান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা