kalerkantho

শনিবার । ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১২ জুন ২০২১। ৩০ শাওয়াল ১৪৪২

বগুড়ায় বিষাক্ত মদ পানে মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

২৫ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ায় বিষাক্ত মদ পানে মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু

বগুড়ার গাবতলীতে আবারও বিষাক্ত মদ পানে (স্পিরিট) শহিদুল ইসলাম (২৮) নামের এক মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। গাবতলী উপজেলার পশ্চিম মহিষাবান মধ্যপাড়া গ্রামে শনিবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

মারা যাওয়া শহিদুল ইসলাম উপজেলার পশ্চিম মহিষাবান মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনা ছাড়াও একই ধরনের বিষাক্ত নেশাজাতীয় দ্রব্য পানে হাসেন আলী ও মুলা মিয়া নামের আরো দুজন অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় প্রাথমিকভাবে পাওয়া যায়নি।

মদ পানে মৃত্যুর খবর পেয়ে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) সাবিনা ইয়াসমিন ও গাবতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আজ রবিবার বিষাক্ত নেশাজাতীয় দ্রব্য (মদ বা অ্যালকাহল) বিক্রি করার সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাবতলীর গোলাবাড়ি বন্দরের বিউটি হোমিও হলের মালিক বাহানুল আলম বাদলকে (৫৫) পুলিশ আটক করেছে।

ঘটনার পর শহিদুল ইসলামের পরিবার জানিয়েছে, বিষাক্ত নেশাজাতীয় দ্রব্য (স্পিরিট) পানে নয়, বরং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহিদুল ইসলাম মারা গেছে।

এ ব্যাপারে গাবতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, যেহেতু নেশাজাতীয় দ্রব্য (স্পিরিট) পানে মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, সে জন্য লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল রিপোর্ট আসার পর বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া যাবে।

সম্প্রতি বগুড়া শহরে একই ধরনের বিষাক্ত মাদক পান করার ঘটনায় মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশ বারবার অভিযান চালালেও বিষাক্ত মদ বিক্রি বন্ধ করতে পারেনি।



সাতদিনের সেরা