kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

ভালুকায় ব্যবসায়ী আসাদুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

২৪ এপ্রিল, ২০২১ ১৩:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভালুকায় ব্যবসায়ী আসাদুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহের ভালুকায় পোল্ট্রি খাদ্য ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম (৪৮) হত্যা মামলার প্রধান আসামি পলাতক মেহেদী হাসান আরাফাত ওরফে কালা মিয়াকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনে আজ শনিবার (২৪ এপ্রিল) আদালতে পাঠানো হয়। গতকাল শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন লাল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মেহেদী হাসান আরাফাত ওরফে কালা মিয়া ভালুকা উপজেলার ধীতপুর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে। 

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত সোমবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যার আগমুহূর্তে উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামে ছুরিকাঘাতে পোল্ট্রি খাদ্য ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামকে হত্যা করা হয়। আসাদুল উপজেলার ভাওয়ালিয়াবাজু গ্রামের শামছুদ্দিনের ছেলে। তিনি ভাওয়ালিয়াবাজু বাজারে পোল্ট্রি খাদ্যের ব্যবসা করতেন।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ওই দিন ঘটনার সময় শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে আসাদুল ইসলাম ভাওয়ালিয়াবাজু থেকে অটোযোগে ধীতপুর গ্রামে গিয়ে নামেন। ওই সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষরা তার ওপর হামলা চালিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় আসাদুলের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং আসাদুলকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ আসাদুলের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। 

ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) আসাদুল ইসলামের ছোটভাই নাজমুল হক বাদী হয়ে ওই ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় উপজেলার ধীতপুর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে মেহেদী হাসান আরাফত ওরফে কালা মিয়া (২১), ঝন্টু মীরের ছেলে রবিন (১৭) ও তাজুল ইসলামের ছেলে সাব্বীর আহাম্মেদকে (১৭) আসামি করা হয়। এদিকে, মামলা দায়েরের পর পরই থানা পুলিশ তৎপর হয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার এবং মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামি রবিন ও সাব্বীর আহাম্মেকে গ্রেপ্তার করে। তবে, ঘটনার পরপরই আত্মগোপনে চলে যান মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান আরাফত ওরফে কালা মিয়া। 

মেহেদী হাসান আরাফাত ওরফে কালা মিয়াকে গ্রেপ্তারকারী ভালুকা মডেল থানার এসআই ইকবাল হোসেন জানান, আত্মগোপনে থাকা মামলার ওই আসামিকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন লাল বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আসাদুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদনে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



সাতদিনের সেরা