kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ বৈশাখ ১৪২৮। ১০ মে ২০২১। ২৭ রমজান ১৪৪২

প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কারণ দর্শানো নোটিশ

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি   

২১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীন

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে সালেমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনের বিরুদ্ধে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। নোটিশ প্রাপ্তির পর প্রধান শিক্ষিকাকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়া তাঁকে ১০ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ২০ দিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সালে সরিষাবাড়ী কলেজের প্রভাষক এ এইচ এম মাছুদুর রহমানকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি বিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি করা হয়। ২০১৫ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এক অডিটে ৫৮ লাখ ১৪ হাজার ১২ টাকা ১ পয়সা আত্মসাতের বিষয়টি নজরে আসে অডিট কমিটির কাছে। 
এতে অডিট আপত্তি জানিয়ে প্রতিবেদন দেন। অডিটের আপত্তি প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৯ এপ্রিল বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সভা করেন। সভার সিদ্ধান্তে অডিটের আপত্তিকৃত অর্থের সঠিক ব্যাখ্যা চেয়ে ১০ এপ্রিল প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনকে চিঠি দেন বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা।

রহস্যজনক কারণে এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল একটি মহল। হঠাৎ করে মঙ্গলবার বিকাল থেকে প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের আলোচনা সরিষাবাড়ী টপ অফ দা টাউন পরিণত হয়েছে। 

সূত্র আরো জানায়, তিনি একক ক্ষমতা বলে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। 

প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীন বলেন, আমি কারণ দর্শানো নোটিশ পেয়েছি। এ নোটিশের জবাব যথাসময় লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে তিনি কোনো কিছু বলতে রাজি নন। কমিটি আমাকে জোর করে ছুটি দিয়েছে আমি নেই নাই।

এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা কালের কণ্ঠকে বলেন, বিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি দিয়ে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অডিট করা হয়েছে। অডিট কমিটি তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পেয়েছে। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অডিটের আপত্তির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার কাছে ওই টাকার ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ১০ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছে।



সাতদিনের সেরা