kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

উদ্ধার করা ফেনসিডিল বিক্রি করে দিল পুলিশ!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

২১ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উদ্ধার করা ফেনসিডিল বিক্রি করে দিল পুলিশ!

উদ্ধার করার সময় ২৪৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটককৃতরা

বগুড়ার মোকামতলায় ২৪৮ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে সেখান থেকে ৮৮ বোতল বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলাটি মোকামতলা থেকে ডিবি (গোয়েন্দা) শাখায় স্থানান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ সুপার নিজেই অভিযোগটি তদন্ত শুরু করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতেই মামলার আলামতসহ নথিপত্র ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি করছিলের মেকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা। চেকপোস্টে নেতৃত্ব দেন শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা জানান, যানবাহন তল্লাশিকালে ঢাকাগামী বাস খালেক পরিবহন থেকে নাজিম নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ বোতল এবং পিংকি পরিবহন থেকে সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়। এ ঘটনায় মোকামতলা পুলিশ তদন্তন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুজাউদ্দৌলা বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

পিংকি পরিবহন থেকে উদ্ধারকৃত ১৯৮ বোতল ফেনসিডিলের স্থলে ১১০ বোতল জব্দ দেখিয়ে সাইফুলের নামে মামলা দেওয়া হয়। বাকী ৮৮ বোতল ফেনসিডিল মোকামতলা ফাঁড়ি পুলিশ তদের সোর্সের মাধ্যমে বিক্রি করে দেয়।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বগুড়ার পুলিশ সুপার মামলা দুটি ডিবিতে স্থানান্তরের আদেশ দেন। এছাড়াও তিনি গত ২০ এপ্রিল মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র্রে উপস্থিত হয়ে ফেনসিডিল উদ্ধারের সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্য ছাড়াও মামলার স্বাক্ষীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক শাহিন জামান বলেন, এ ধরনের একটি অভিযোগের তদন্ত চলছে। মামলা ডিবিতে চলে গেছে।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

শিবগঞ্জ সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, আমার নেতৃত্বেই ৩ এপ্রিল রাতে চেকপোস্ট বসিয়ে ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। ফেনসিডিল জব্দ করার সময় কম দেখানো হয়নি। তারপরেও অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় পুলিশ সুপার নিজেই অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য অনুসন্ধান করেছেন।



সাতদিনের সেরা