kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

বোয়ালমারীতে শ্মশানের রাস্তা দখল করে প্রাচীর নির্মাণ!

বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বোয়ালমারীতে শ্মশানের রাস্তা দখল করে প্রাচীর নির্মাণ!

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় শ্মশানে আসা-যাওয়ার সড়কের একাংশ দখল করে প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা এ ব্যাপারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বোয়ালমারী পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কামারগ্রামের সামচুদ্দিন মোল্যার ছেলে ফারুক মোল্যা পৌর শ্মশানে যাতায়াতের সড়কটির প্রায় ৫ ফুট দখল করে সাত ফুট উচ্চতাসম্পন্ন প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। সড়কটিতে জনসাধারণের যাতায়াতে ব্যাঘাত ঘটছে। এ ছাড়া ওই সড়কের মোড়ে সড়কের কিছু অংশ দখল করে ঘর নির্মাণ করায় মাঝে মাঝে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এলাকাবাসীর পক্ষে আমছানুল কবীর ও আ. গফফার শেখের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ইউএনও ঝোটন চন্দ গত ৭ এপ্রিল বোয়ালমারী পৌর ভূমি অফিসকে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দিতে বলেন। পৌর ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিশ্বজিৎ কুমার দে ১১ এপ্রিল এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ফারুক মোল্যা তার ব্যক্তি মালিকানাধীন ৮৪ নম্বর কামারগ্রাম মৌজার বিএস ১৬৬৫ নম্বর খতিয়ানের ৬০৫৬ নম্বর দাগের বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৬০৬৭ নম্বর দাগের পূর্ব-পশ্চিমে সর্বসাধারণের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার্য ৬৬০ বর্গফুট জমি প্রাচীর দ্বারা এবং ১৫০ বর্গফুট জমি চৌচালা ঘরের অংশে অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া বিএস ৬০৫৫ নম্বর দাগে ১২১০ বর্গফুট রাস্তার জমি প্রাচীর দ্বারা এবং ৩০ বর্গফুট জমি চৌচালা ঘরের অংশে অন্তর্ভুক্ত করে অবৈধভাবে ভোগ দখল করছে। অবৈধ দখলের কারণে স্থানীয় জনসাধারণ ও যানবানের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে উল্লেখ করে সরকারি রাস্তার জায়গা অবৈধ দখলকারীর নিকট থেকে উদ্ধার করে জনসাধারণের ব্যবহার উপযোগী করার জন্য প্রাচীর অপসারণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ তার অফিস কক্ষে অভিযুক্ত মো. ফারুক মোল্যাকে ১৩ এপ্রিল সাক্ষ্য প্রমাণসহ উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করেন। ওই দিন ইউএনও'র অফিস কক্ষে উপস্থিত হয়ে ফারুক মোল্যা লকডাউনের অজুহাতে সময় নিয়েছেন।

আজ সোমবার বিকেলে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মনে হচ্ছে ওই জায়গা সরকারি। তবে ফারুক মোল্যা দাবি করেছে ওই জমির কাগজপত্র তার চাচার কাছে আছে। চাচা যশোরে থাকে। লকডাউন থাকায় ফারুক মোল্যা সময় চেয়েছে। লকডাউন শেষে জমি মাপজোক এবং কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
                     



সাতদিনের সেরা