kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

স্বরূপকাঠিতে জাটকা-ছোট মাছ নিধনের মহোৎসব চলছে

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বরূপকাঠিতে জাটকা-ছোট মাছ নিধনের মহোৎসব চলছে

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে বেড়জাল দিয়ে জাটকা ও চরগড়া দিয়ে ছোট মাছ নিধনের মহোৎসব চলছে। উপজেলা সদরের পৌর এলাকার পার্শবর্তী সন্ধ্যা নদীতে প্রতিনিয়ত বেড় জাল দিয়ে জাটকা নিধন করা হচ্ছে। উপজেলা সদরের ফেরিঘাট ও ছারছীনা পীর সাহেবের বাড়ির সামনে, অলংকারকাঠি-মাগুরারর সন্ধ্যা নদীর চরে চরগড়া দিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট মাছ নিধন চলে। উপজেলা মৎস্য অফিসকে বার বার জানানো হলেও প্রতিকারে কোনো উদ্যোগ নেই তাদের।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে মাত্র আধাকিলোমিটার দূরে দক্ষিণ স্বরূপকাঠি গণমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পশ্চিম দিকে সন্ধ্যা নদীতে একদল লোক দ্রুত বেড় জাল তুলতে ব্যস্ত। এ সময় তীরে পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন স্বপন দাঁড়িয়ে ছিলেন। সাংবাদিকরা ওইখানে পৌঁছলে দেখা যায় বিদ্যালয়ের পেছনের বাড়ির বেশ কয়েকজন মহিলা দৌড়ে নদীতে নেমে তড়িঘরি করে জাল টেনে নৌকায় ভরে দেন। এ সময় কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন স্বপন দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

এ অবস্থায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তামো. ওবায়দুল হককে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দেড় ঘণ্টা পরে ফোন দিয়ে বলেন, বাথরুমে ছিলাম।

খবর পেয়ে বিষয়টি মৎস্য অফিসারকে জানালে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে সাংবাদিকদের জানান। আপনি কোথায় আছেন জানতে চাইলে বলেন, বাসায়। অনেক জিজ্ঞাসার একপর্যায়ে বলেন, বরিশালে বাসায় রয়েছেন। পরে ওই এলাকায় গিয়ে জাল বা জেলেদের আর পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার এক যুবক বলেন, আপনারা আসার কিছুক্ষণ পূর্বে মসজিদের সামনে থাকা এক লোক ফোন পান। এরপর সে ফোন করে বলতে থাকেন জাল নিয়ে দ্রুত সরে পর। তিনি জানান, মসজিদের সামনে দোকানে লোক বসা থাকে ম্যাজিস্ট্রেট নামার আগেই তারা ফোন পেয়ে সব কিছু সামলিয়ে ফেলে।

তিনি জানান, ওই এলাকার প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি জাল পাতার নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। মৎস্য অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত এলাকার লোকজনের সাথে এদের দহরম-মহরম রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার করোনায় অক্রান্ত। বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বশির গাজীকে জানালে তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।  



সাতদিনের সেরা