kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

৮০ বছরের রুমেছা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ঘর চান

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি   

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৮০ বছরের রুমেছা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ঘর চান

আসমানীদের দেখতে যদি তোমরা সবাই চাও, রহুমদ্দীর ছোট্ট বাড়ি রসুল পুড়ে যাও। কবি এমন কথাটি অনেক আগে বললেও, বর্তমান যুগে আরেক জায়গায় আসমানীর এক বাস্তব রূপ দেখতে পারেন। আর তাঁর দেখা পেতে হলে যেতে হবে শেরপুরের নকলায়।

বর্তমান যুগে এক জীর্ণশীর্ণ ঝুপড়ি ঘড়ে বসবাস করছেন অসহায় বৃদ্ধা রুমেছা বেগম। শেরপুরের নকলা উপজেলায় বানেশ্বর্দী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাড়ির পাশেই তার বসবাস। ৩৫ বছর আগে স্বামী হারিয়ে বিধবা হয়ে নিজের একমাত্র কন্যার বিয়ে দিয়েছেন সেই ২০ বছর আগে। অনাহারে অর্ধহারে কাটে দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই ভাঙা ঝুপড়ি ঘর থাকেন রুমেছা বেগম। ৮০ বছরেও মেলেনি সুখের হাতছানি। অভাবের তাড়নায় ও বার্ধক্যের কারণে ঠিকমতো চলতে পারে না। চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে গেছে আরো অনেক আগে।

ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে বিছানার একপাশে বসে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে ডাকতে থাকেন। সারা ঘরেই পড়ে বৃষ্টির পানি। শীতে সময় ঠাণ্ঠা বাতাস বইতে থাকে সারা ঘরে। পলিথিন সিমেন্টের কাগজের বেড়া সামান্য বাতাসেই হয় ছিন্ন বিচ্ছিন্ন, বৃষ্টি হলেই পড়ে অনবরত পানি।

আশেপাশের লোকজন দেয়া খাবারেই চলে জীবন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে একটু নিরাপদে ও শান্তিতে চান ঘুমাতে। বৃদ্ধা রুমেছা বেগম বলেন, ‘হুনছি শেখের বেটি গরিবের কতা হুনে। আমারে এডা ঘর দিলে শেষ বয়সে ইট্টু শান্তিতে ঘুমাইতাম।’ রুমেছা বেগমের জীবনের শেষ ইচ্ছে সরকারি বরাদ্দের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ঘর উপহার।



সাতদিনের সেরা