kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষতি

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ২০:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষতি

রংপুরের পীরগাছায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার কয়েকটি গ্রামের ওপর দিয়ে আকস্মিকভাবে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। শুরুতে টানা ১৫ থেকে ২০ মিনিট শিলাবৃষ্টির পর কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এতে উপজেলার কান্দি, কৈকুড়ী ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নসহ বেশকিছু এলাকার বোরো ধানের ক্ষতি হয়। কিন্তু শিলাবৃষ্টিতে ধান ঝড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়তে যাচ্ছেন কয়েক হাজার কৃষক।

সরেজমিনে জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে মাঠের আধা-পাকা ধান ঝড়ে যায়। একই সঙ্গে আম ও লিচুসহ উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। শিলাবৃষ্টিতে বেশ কিছু এলাকার কয়েক হাজার হেক্টর জমির আধা পাকা ধান মাটিতে লুটে পড়ে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, এমনিতেই কয়েক বছর ধরে নানা কারণে ধান আবাদে লোকসান লেগেই আছে। এর মধ্যে শিলাবৃষ্টিতে যে ক্ষতি হলো তা হয়তো আর পোষাণো সম্ভব হবে না। শিলাবৃষ্টির কারণে তার প্রায় দুই থেকে আড়াই বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এখন সেই জমিগুলোতে বিঘাপ্রতি আনুমানিক চার-পাঁচ মণ হারে ধান হতে পারে।

দোয়ানী গ্রামের মোরশেদ মিয়া বলেন, শিলা বর্ষণে একদিকে মাঠের ধান অন্যদিকে আম ও লিচুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কাবিলা পাড়া গ্রামের বাবু মিয়া বলেন, পাকা ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। তবে যে দু-চার বিঘা জমির ধান কিছুটা কাঁচা রয়েছে সেসব জমিতে হয়তো কিছু ধান পাওয়া যাবে। এছাড়া বিঘা প্রতি দেড় থেকে দুই মন করে ধান পাওয়া যেতে পারে।

পীরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমুর রহমান বলেন, শিলাবৃষ্টিতে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপনের জন্য কাজ চলছে। পরবর্তীতে জানা যাবে।



সাতদিনের সেরা