kalerkantho

শুক্রবার। ৩১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ মে ২০২১। ০২ শাওয়াল ১৪৪২

মামার বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার মাদরাসাছাত্রী!

মাদারীপুর প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ১৮:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মামার বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার মাদরাসাছাত্রী!

প্রতীকী ছবি।

মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বলাইরচর গ্রামে শনিবার রাতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদরাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। রাতেই ওই ছাত্রীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাদরাসার ছাত্রী বর্তমানে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

এই ঘটনায় রবিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ, পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদরাসা[ছাত্রী শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির কাছেই তার মামা বাড়ি যায়। রাত ৮টার দিকে নিজ বাড়ি ফিরছিল। এসময় পথে একই গ্রামের মালেক মোড়লের ছেলে জাকির মোড়ল (৩০), লাল মিয়া মাতুব্বরের ছেলে বাদল মাতুব্বরসহ (২০) আরো দুজনে মিলে নির্জন রাস্তার পাশে ওই ছাত্রীকে জোর করে ধর্ষণ করে। 

এসময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে রাতেই মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। রবিবার সকালে ওই ছাত্রীর মেডিক্যাল আলমত সংগ্রহ করেছেন চিকিৎসকরা। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে ছাত্রীর পরিবার।

ধর্ষণের শিকার মাদরাসাছাত্রী বলে, আমাদের বাড়ির কাছেই আমার মামা বাড়ি। সন্ধ্যার সময় আমি বাড়ি থেকে মামা বাড়ি যাই। রাত ৮টার দিকে মামা বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে জাকির, বাদলসহ চারজনে আমাকে জোর করে ধরে ধর্ষণ করে। আমি জাকির, বাদলসহ চারজনের বিচার চাই।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার মো. রিয়াদ মাহমুদ বলেন, শনিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনায় এক মাদরাসাছাত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করে তার পরিবারের লোকজন। এখন সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছি। তার ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। 

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, এক মাদরাসার ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় রবিবার দুপুরে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আমরা মামলার আসামিদের ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।



সাতদিনের সেরা