kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

পরকীয়ায় অবনতি; গৃহবধূকে কুপিয়ে, প্রেমিককে গণপিটুনিতে হত্যা!

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ১৭:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরকীয়ায় অবনতি; গৃহবধূকে কুপিয়ে, প্রেমিককে গণপিটুনিতে হত্যা!

প্রতীকী ছবি

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পরকীয়া সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় গৃহবধূ নাছরিন আক্তার মৌসুমিকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত লোকজনের গণপিটুনিতে কথিত প্রেমিক মো. রাসেলেরও মৃত্যু হয়। আজ রবিবার সকালে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের জাফরনগর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত নাছরিন ওই বাড়ির প্রবাসী সফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও রাসেল একই এলাকার ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। এ সময় মাকে বাঁচাতে গিয়ে ছেলে নাঈমুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

এদিকে খবর পেয়ে দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান ও রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় তাঁরা প্রত্যক্ষদর্শীসহ স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাসেলের সঙ্গে নাছরিনের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। এতে রাসেলের মোবাইলে নাছরিনের কিছু ব্যক্তিগত ছবি ছিল। কয়েক মাস আগে রাসেল তাঁর ব্যবহৃত মোবাইলটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। ওই মোবাইলে থাকা নাছরিনের ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনিয়ে নাছরিনের সঙ্গে রাসেলের বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নাছরিনকে রাসেল হত্যা করতে পারে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

নাছরিনের মেয়ে উম্মে হাবিবা সিনথিয়া সাংবাদিকদের বলেন, রাসেল মাকে ফোন করে প্রায়ই বিরক্ত করতো। আমাদের নতুন বাড়িতে একটি চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় রাসেলকে অভিযুক্ত করা হয়। এনিয়ে আমার মায়ের সঙ্গে সে খারাপ ব্যবহার করতো। চুরির ঘটনা নিয়েই বসতঘরে ঢুকে রাসেল মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে গণপিটুনি দেয়। 

রামগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কার্তিক চন্দ্র দাস বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে।



সাতদিনের সেরা