kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৮ মে ২০২১। ৫ শাওয়াল ১৪৪

লকডাউনে বেকার ৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য দেবে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১৮ এপ্রিল, ২০২১ ১৫:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকডাউনে বেকার ৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য দেবে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন

চাঁদপুর শহরের ডাকাতিয়া নদীরপারে বেদে পল্লীর রহিমা খাতুন। বাড়ি বাড়ি ফেরি করে চুঁড়ি, প্রসাধনী বিক্রি করেন। কিন্তু টানা লকডাউনে এখন তা আর হচ্ছে না। ফলে ঘরে অসুস্থ স্বামী আর চার সন্তান নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে তার। রহিমা বেগমের মতো কর্ম হারানো আরো অনেকেই এসেছেন চাঁদপুর স্টেডিয়ামে। তাদের লক্ষ্য সরকারি খাদ্য সহায়তা।

রোববার দুপুরে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রথমধাপে ৫’শ পরিবারের হাতে এসব খাদ্য সহায়তা প্রদানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ। এসময় জেলা প্রশাসনের দেওয়া বিনামূল্যের খাদ্য সহায়তা পেয়ে দারুণ খুশি বেকার হয়ে পড়া পরিবারের সদস্যরা। তারা জানান, লকডাউনের কারণে কর্ম হারিয়ে বেকার জীবনে এমন সহায়তা তাদের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে। তবে এভাবে আর কয়টা দিন যাবে। এমন অনিশ্চয়তাও তাদের মধ্যে ভর করেছে। এদিক ভোর থেকে জেলা প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবক টিমের প্রধান ওমর ফারুকের নেতৃত্বে সদস্যরা তালিকায় থাকা পরিবারের সদস্যদের স্টেডিয়ামে হাজির করে। পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের নির্ধারিত স্থানে বসার ব্যবস্থা করে।

খাদ্য সহায়তা প্রদান প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, লকডাউনের প্রভাবে যারা বেকার হয়েছে- তাদের কেউ না খেয়ে থাকবে না। সেই জন্য তালিকা করে প্রতিটি পরিাবরের হাতে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সহায়তা তুলে দেওয়া হবে। এতে ৫ কেজি চালের সঙ্গে এক কেজি আলু ও এক কেজি পেঁয়াজ- এমনভাবে ৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

খাদ্য সহায়তা প্রদানকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মানিক, প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা প্রমূখ।

জেলা প্রশাসনের খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়কারী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, বেদে সম্প্রদায়, ছোটখাটো যানবাহনের চালক, হঠাৎ কর্ম হারানো নিন্মআয়ের মানুষদের চিহিৃত করে তাদেরকে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। সেই তালিকা ধরেই খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা