kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ বৈশাখ ১৪২৮। ১০ মে ২০২১। ২৭ রমজান ১৪৪২

চান্স পেয়ে মেডিক্যালে ভর্তির অনিশ্চয়তায় হাসান!

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৭ এপ্রিল, ২০২১ ১৯:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চান্স পেয়ে মেডিক্যালে ভর্তির অনিশ্চয়তায় হাসান!

বেতাগী উপজেলার করুনা গ্রামের বাসিন্দা দরিদ্র মো. হাসান মাহামুদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। দরিদ্রতার কারণে এখন মেডিক্যালে ভর্তি হওয়া আর পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। সে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে এমবিবিএসে জাতীয় মেধা তালিকায ১৯৫তম স্থান অধিকার করে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

বাবা ও মা স্বপ্ন ছেলে ডাক্তার হবে। মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ স্বপ্ন পূরণে প্রথম ধাপ অতিক্রম করলেন হাসান। কিন্ত মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি ও লেখাপড়া চালিয়ে ডাক্তার হওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এত খরচ চালাবেন কীভাবে তা নিয়ে রয়েছেন দুশ্চিন্তায়।

হাসানের বাবা  মাওলানা হাফিজুর রহমান এখন  উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়নের মাদরাসা বাজারে পাঁচ বছর ধরে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে আসছেন। এর আগে বেতাগী সদরে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ার টেকার পদে চাকুরি করতেন। স্বপ্ন পূরণে তিনি ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন। দরিদ্রতার কারণে হাসানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আজ অসহায় হয়ে পড়েছেন মা গৃহিণী হোসনে আরা বেগম।

তিন ভাই বোনের মধ্যে হাসান সবার বড়। ভাই হাসানের সাফল্যে সবচেয়ে খুশি তাঁর ছোট বোন করুনা বালিকা দাখিল মাদরাসা দশম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী মোসা. হাফেজা আক্তার ও প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট ভাই মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ।

জানা গেছে, হাসান বরিশাল হাতেম আলী সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ এবং করুনা মোকামিয়া কামিল মাদরাসা থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পান। এছাড়া পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেন।

হাসান আরো জানায়, আমার শৈশবকাল থেকেই জীবনের লক্ষ্য ছিল একজন চিৎিসক হয়ে গরীর ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করার। কিন্তু ভর্তির সুযোগ পেয়েও সেই স্বপ্নের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দারিদ্রতা। স্বপ্ন এবং শঙ্কার মধ্যেই দিন কাটছে তার।



সাতদিনের সেরা