kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

দুই হ্যান্ডট্রলির ধাক্কায় সংঘর্ষে জড়ালো দুই গ্রামবাসী

সংঘর্ষে দুই নারীসহ আহত ২০

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি   

১৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৩:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই হ্যান্ডট্রলির ধাক্কায় সংঘর্ষে জড়ালো দুই গ্রামবাসী

নেত্রকোনার মোহনগেঞ্জে হাওর থেকে ধান নিয়ে আসার সময় রাস্তায় দুটি হ্যান্ডট্রলির ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে দুই নারীসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ১৭ জনকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদেরকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চল খ্যাত ডিঙ্গাপোতা হাওর পাড়ের তেথুলিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান ইদ্রিসির পক্ষের লোকজনের সাথে তেথুলিয়া বাঘাপাড়া গ্রামের আলাল মিয়ার পক্ষের লোকজনের এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তেথুলিয়া পশ্চিম পাড়ার মেহেদী হাসান ইদ্রিসীর পক্ষের অপু মিয়ার বাড়ির পাশের ডিঙ্গাপোতা হাওর থেকে তার হ্যান্ডট্রলিটি ধানবোঝাই করে নিজ বাড়ি আসছিল। এসময় তেথুলিয়া বাঘাপাড়া গ্রামের আলাল মিয়ার পক্ষের লোক সুমন মিয়া ধান আনার জন্য তার হ্যান্ডট্রলি নিয়ে একই হাওরে যাওয়ার সময় পথে অপু মিয়ার হ্যান্ডট্রলির সাথে সুমন মিয়ার হ্যান্ডট্রলিটির ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে তারা দুজনই তাদের হ্যান্ডট্রলি থামিয়ে একে অপরের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে অপু মিয়া সুমনকে একটি লাথি মারেন। তখন স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ঝগড়া থামিয়ে দুজনকেই সেখান থেকে বিদায় করে দেন। পরে এরই জের ধরে সোমবার বিকেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজনই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। 

সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র লাঠিসোটা ও ইটপাটকেলের আঘাতে আয়শা আক্তার (৫০), আহেরের মা (৭৫), সোহেল মিয়া (৩০), আব্দুল হেকিম (৬০), এরশাদ মিয়া (৩২), দারগ আলী (৭০), মেহেদী হাসান (৫৫), জাহাঙ্গীর মিয়া (২৮), রেহেন মিয়া (৪০), সুলতান আহম্মেদ (৩৯), আনোয়ার হোসেন (২৪), মাজু মিয়া (৩২), অপু মিয়া (২৫), বাবুল মিয়া (৪৪), শাহীন মিয়া (৪২), আল-আমিন (৩৬) ও শামীমসহ (৩২) কমপক্ষে ২০ জন গুরুতর আহত হন।

মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ  ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় কোনো অভিযোগ নিয়ে না আসলেও এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে।



সাতদিনের সেরা