kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

স্বামীর বাড়ি আশ্রয় না পেয়ে নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিলেন গৃহবধূ

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১০ এপ্রিল, ২০২১ ২১:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বামীর বাড়ি আশ্রয় না পেয়ে নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিলেন গৃহবধূ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে সানী আক্তার (২১) নামে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ স্বামীর বাড়িতে আশ্রয় না পেয়ে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে আজ শনিবার বিকালে পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড শিলাসী এলাকায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার পাগলা থানাধীন দিয়ারগাঁও গ্রামের ওমানপ্রবাসী রুহুল আমীনের মেয়ে সানী আক্তারের সাথে সরকারি কর্মচারী হারুন অর রশিদের ছেলে শামছুল হুদার (৩০) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত জানুয়ারি মাসে তারা গোপনে কাবিন রেজিস্ট্রি মূল্যে বিয়ে করে ভালুকা মাস্টার বাড়ি এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। পরে সানী অন্তঃসত্ত্বা হন। কিন্তু বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন তার স্বামী পূর্বে বিয়ে করেছে এবং তার সংসার রয়েছে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হয়। দুই দিন পূর্বে শামছুল হুদা সানীকে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেয়। শুক্রবার রাতে সে গফরগাঁও পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ড শিলাসী এলাকায় শামছুল হুদার বাসায় এসে ওঠেন। কিন্তু তার পরিবারের লোকজন তাকে গভীর রাতে মারধর করে বের করে দেয়। শনিবার বিকালে আবারো শামছুল হুদার বাসায় ওঠার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।

সানীর মা রুমা আক্তার বলেন, আমার মেয়েকে শামছুল হুদা ফুঁসলিয়ে বিয়ে করে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে। আমরা সঠিক বিচার চাই।

এ ব্যাপারে শামছুল হুদার বাবা হারুন অর রশিদ বলেন, আমার ছেলে আগে বিয়ে করেছে তার সংসার আছে। এ বিয়ে ব্যাপারে আমরা কিছু জানি না।

গফরগাঁও থানার ওসি অনুকুল সরকার বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। মেয়েটি সুস্থ হলে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।



সাতদিনের সেরা