kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

রাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়কের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৬ এপ্রিল, ২০২১ ২১:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়কের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়কের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির তিন চতুর্থাংশ সদস্য। আজ মঙ্গলবার সংগঠনটির সদস্যরা অভিযোগ উল্লেখ করে আহ্বায়ককে চিঠি দেন। চিঠির একটি কপি সাংবাদিকদের হাতে এসে পৌঁছেছে। 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্টিয়ারিং কমিটির সভা আহ্বান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গড়িমসি করছেন আহ্বায়ক অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান। তিনি প্রচলিত বিধি-বিধান ও নিয়ম মেনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় উপাচার্যকে তাগিদ দিতে সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেননি। উল্টো স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যদের অপমান করেছেন। তিনি বর্তমান দুর্নীতিগ্রস্ত উপাচার্যের তল্পিবাহক হিসেবে দলের কর্মকাণ্ড পরিচালনার কৌশলগ্রহণ করে পরবর্তী উপাচার্য হওয়ার বাসনা পূরণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

এ ছাড়াও চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নীতিমালা সংশোধন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক সকল নিয়োগ বন্ধ, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে দলকে অবজ্ঞাসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান গড়িমসি করেছেন উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান শিক্ষকেরা। চিঠিতে সংগঠনটির ২০ জন সদস্যের মধ্যে ১৬ জন আহ্বায়ক অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমানে বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক তারিকুল হাসান, প্রাণরসায়ন ও অনুজীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজা অপু, আইন বিভাগের আবু নাসের মো. ওয়াহিদ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এক্রাম উল্যাহ প্রমুখ চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।

চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান বলেন, ‘তারা যেসব মিথ্যা অভিযোগ এনেছে সেগুলো নিয়ে আগামীকাল (আজ) আমার অবস্থান স্পষ্ট করবো।’ 



সাতদিনের সেরা