kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

কৃষি বৈজ্ঞানিকদের মন্তব্য

গরম বাতাসেই ধান নষ্ট হয়েছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ এপ্রিল, ২০২১ ২১:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গরম বাতাসেই ধান নষ্ট হয়েছে

ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট ভাঙ্গা (ব্রি)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. একলাচুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মনোজিৎ কুমার মল্লিক বলেছেন, গরম বাতাসের কারণে ধান নষ্ট হয়েছে।

গোপালগঞ্জ জেলার ৪ উপজেলার ১০ ইউনিয়নের শত শত হেক্টর জমির ধান (দুধ অবস্থায়) নষ্ট হয়েছে। গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. অরবিন্দ কুমার রায় ওই বৈজ্ঞানিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে সাংবাদিকদেরকে একথা বলেন।

তিনি বলেন, জেলার টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া এবং কাশিয়ানী ও সদর উপজেলায় এক রাতের মধ্যে শত শত হেক্টর জমির ধান সবুজ থেকে সাদা হয়ে ধানের শীষ নষ্ট হয়ে যায়। হঠাৎ করে এ ধরনের ঘটনায় একদিকে যেমন কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আবার কৃষি বিভাগও অবাক হয়েছে। এর আগে এ ধরনের ঘটনা আগে কোথাও ঘটেছে বলে কারো জানা নেই। যে কারণে গোপালগঞ্জ কৃষি অফিস থেকে বিষয়টির ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অবস্থিত ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান।

ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট ভাঙ্গা (ব্রি)-এর প্রধান বৈজ্ঞানীক কর্মকর্তা মো. একলাচুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মনোজিৎ কুমার মল্লিক, গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. অরবিন্দ কুমার রায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত রবিবার রাতে ৩০ মিনিটের মতো জেলার বিভিন্ন এলাকায় গরম বাতাস বয়ে যায়। আর এতে ক্ষেতে উঠতি বোরো ধান যে গুলেতে কেবল মাত্র ধানের শীষে “দুধ” এসেছে সেইসব ধান শুকিয়ে  চিটায় পরিণত হয়ে সাদা বর্ণ ধারণ করে। এতে জেলার শত শত কৃষকের কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়।

কৃষিবিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলার ৪টি উপজেলার অন্তত ১০টি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে গরম হাওয়া বয়ে যায়। আধা ঘণ্টা ধরে চলা এ গরম হাওয়ায় কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি, পিঞ্জুরী, হিরণ ও আমতলী ইউনিয়ন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর, ডুমুরিয়া, পাটগাতি ও বর্নি ইউনিয়ন, কাশিয়ানীর রাতইল ইউনিয়ন, সদর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের শত শত হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে। 



সাতদিনের সেরা