kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

চকরিয়ায় সাব রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, ঘুষের ৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা জব্দ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চকরিয়ায় সাব রেজিষ্ট্রারের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান, ঘুষের ৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা জব্দ

কক্সবাজারের চকরিয়া সাব রেজিষ্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি অভিযানিক দল। এ সময় অভিযানিক দলটি সারাদিন রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল সম্পাদনের বিপরীতে জমির ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ঘুষ বাবদ নগদ ৪ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা জব্দ করেছেন।

 এর আগে অফিসে থাকা সাব রেজিষ্ট্রার, প্রধান সহকারী, মোহরারসহ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাদের টেবিলের ড্রয়ারসহ বিভিন্নস্থানে তল্লাশী চালায় দুদকের অভিযানিক দল। কার্যালয়ে অভিযান শেষ করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযানিক দলটি সাব রেজিষ্ট্রারের ভাড়া বাসায়ও অভিযান চালায়। সাব রেজিষ্ট্রারের বাসায় অভিযানের সময় দুদক টিমের সঙ্গে চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানভীর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাসায় অভিযান চলমান থাকলেও ফলাফল জানা যায়নি।
 
এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিনের নেতৃত্বে চকরিয়া সাব রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযান শুরু করে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে দুদকের নিজস্ব গোয়েন্দা সদস্যরা সাদা পোশাকে অফিসে ঘুষ লেনদেনের দৃশ্য দেখেন করেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।
 
রাতে এই প্রতিবেদন লেখাপর্যন্ত চকরিয়া কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব রেজিষ্ট্রার মো. নাহিদুজ্জামান, প্রধান সহকারী শ্যামল বড়ুয়া, মোহরার দুর্জয় কান্তি পাল, মোহরার নন্দ রাম দাশসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুদক এবং পুলিশ সদস্যরা নজরদারিতে রেখেছেন।
 
সার্বিক অভিযান প্রসঙ্গে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাব রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, অভিযানের সময় ঘুষ লেনদেনের ৪ লক্ষ ৪২ হাজার নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত এসব টাকার বৈধ কোন সদোত্তর সংশ্লিষ্টরা জানাতে পারেননি।

দুদক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে কার্যালয়ে অভিযান শেষ করে সাব রেজিষ্ট্রার মো. নাহিদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাসায় অভিযান চালাতে যাচ্ছি। আমাদের এই অভিযান চলমান রয়েছে। সেখানে অভিযান শেষ করে চুড়ান্তভাবে সাংবাদিকদের জানানো হবে।’  

প্রসঙ্গত-সম্প্রতি চকরিয়া পৌরসভার পালাকাটা গ্রামের রশিদ আহমদ নামের এক ব্যক্তি দুদকে অভিযোগ করেন তার একটি দলিল রেজিস্ট্রেশন সম্পাদনের জন্য ঘুষ দাবি করা নিয়ে। দুদক কর্মকর্তারা ভুক্তভোগীর সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে এই অভিযান চালান। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা