kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

সাতক্ষীরায় আবারো বাঁধ ভাঙন, পানিবন্দি মানুষ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি    

৩০ মার্চ, ২০২১ ১৮:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাতক্ষীরায় আবারো বাঁধ ভাঙন, পানিবন্দি মানুষ

আবারো ধসে গেছে আশাশুনি খোলপেটুয়া নদীর রিং বাঁধ। এতে দয়ারঘাট ও আশাশুনি দক্ষিণপাড়াসহ আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে চার শতাধিক পরিবার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রচন্ড জোয়ারের তোড়ে খোলপেটুয়া নদীর দয়ারঘাটের দুটি ও আশাশুনির তিনটি পয়েন্টে ভেঙে রিং বাঁধ বিলীন হয়ে যায়।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম কুমার চক্রবর্তী জানান, খোলপেটুয়া নদীর প্রবল জোয়ারের পানিতে জেলেখালি-দয়ারঘাট রিং বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে এলাকার মাছের ঘের, ঘর-বাড়ি নতুন করে প্লাবিত হতে শুরু করেছে। মাত্র কয়েকমাস আগে বাঁধটি দেওয়া হয়। সুপার সাইক্লোন আম্ফানের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো এ এলাকার মানুষের দুর্দশা বাড়তে শুরু করেছে। ভাঙনের সমাধান যদি দ্রুত না করা যায় তবে আশাশুনি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হবে।

স্থানীয়রা জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ১০টি পয়েন্টে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে গোটা ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছিল। তখন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আটটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হলেও দুটি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। ওই দুটি পয়েন্টে রিং বাঁধ দিয়ে কোনোমতে পানি আটকানো হয়। গতকাল সোমবার জোয়ারের পানির চাপ বাড়লে রিং বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। মঙ্গলবার দুপুরের জোয়ারে পানির চাপ রিং বাঁধ সহ্য করতে না পারায় নদীর পানি ঠেকানো যায়নি। দয়ারঘাটের দুটি ও আশাশুনির তিনটি পয়েন্টে ভেঙে রিংবাধ বিলীন হয়ে গেছে। এখনো এলাকায় পানি ঢুকছে। বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে।

আশাশুনি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন জানান, দয়ারঘাট ও আশাশুনিতে রিং বাঁধ ভেঙে শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার আগে সংস্কার করা সম্ভব না হলে আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, শোভনালী ও চাম্পাফুল ইউনিয়নও প্লবিত হয়ে যাবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও রাব্বী হাসান জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভাঙনকবলিত বাঁধের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা